Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ম্যাসেঞ্জারের যুগে চিঠি কি হারিয়েই গেলো?

আজ আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০১:০৫ পিএম

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পালিত হচ্ছে বিশ্ব চিঠি দিবস। এক সময় যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ছিল এই চিঠি। কালের বিবর্তনে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এ যোগাযোগ মাধ্যম। তাই চিঠির প্রতি মানুষের আগ্রহ ও সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর ১ সেপ্টম্বর বিশ্বব্যাপী পালিত হয় আন্তর্জাতিক চিঠি দিবস।

বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে চিঠি আদান-প্রদান প্রায় বিলুপ্তির মুখে। এখন ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের সাহায্যে চাইলেই টুক করে মেসেজ পাঠানো যায়।

আগেকার সময়ে তথ্য আদান-প্রদানে বেশ সময় লাগতো। কখনও তো এই চিঠি কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌঁছাতে সপ্তাহ, মাস সময় লাগতো। তবে চিঠি পাওয়ার মতো আনন্দের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা হয় না।

এই চিঠি নিয়ে অনেক শিল্পী, সাহিত্যিক, গীতিকার অনেক লেখালিখি করেছেন। তাদের কাব্য ভাষায়, শিল্পীর গানে ফুটে উঠেছে এর গুরুত্ব।

ইতিহাস অনুযায়ী, ২০১৪ সালে প্রথম অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক রিচার্ড সিম্পকিনের হাত ধরে এই দিবসের প্রচলন শুরু হয়। নব্বই দশকের শেষের দিকে সিম্পকিন নিজ দেশের বড় ব্যক্তিত্বদের চিঠি পাঠাতেন। অনেক সময় সেই চিঠির উত্তর পেতেন না। তবে যখন পেতেন, তখন তার আনন্দের সীমা থাকত না। এই আনন্দ নাকি তার কাজকর্মে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিত। সেই ভালোবাসা থেকে সিম্পকিন ২০১৪ সালে এই দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি চান চিঠি লেখার চর্চা আবার ফিরে আসুক।

চিঠি লেখার ঐতিহ্য একসময় ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তির আবির্ভাবে এই চর্চা ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে। একসময় মানুষ চিঠি লিখে নিজেদের মনের ভাব, অনুভূতি এবং অভিজ্ঞতা ব্যক্ত করতেন। চিঠির মাধ্যমে ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলো আরও ঘনিষ্ঠ এবং গভীর হতো। একটি হাতের লেখা চিঠি ছিল ব্যক্তিগত স্পর্শের প্রতীক, যা আজকের ডিজিটাল বার্তায় পাওয়া যায় না।

দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে চিঠি। প্রিয়জনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তুলতে এর কোনো তুলনা হয় না। তাই এ দিবস চর্চার মাধ্যমে চিঠি লেখার সংস্কতিকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

   

About

Popular Links

x