ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়াবিটিসের ভয়ে অনেকেই মিষ্টিজাতীয় খাবার খান না। এই ভয় যে অমূলক নয়, সেটাও প্রমাণিত। পুষ্টিবিদ এবং চিকিৎসকেরাও সুস্থ থাকতে জীবন থেকে মিষ্টি বাদ দেওয়ার কথা বলেন। মিষ্টিজাতীয় খাবার ছাড়লে আয়ুও বাড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে চিনি খেয়েও যদি রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, তাহলে কেমন হয়? মিষ্টিপ্রেমীরা এত দিন এমনটাই চেয়ে এসেছিলেন। পুষ্টিবিদদের মতে, কী খাচ্ছেন তার পাশাপাশি কখন খাচ্ছেন, সেটাও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। চিনি দেওয়া চা-কফি হোক কিংবা আইসক্রিম, যা-ই খান, নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।
একান্তই মিষ্টি খেতে হলে সঠিক সময়ে খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদ। পাশাপাশি চিনি খাওয়ার খারাপ দিক নিয়েও সতর্ক করেছেন। মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া শরীরের জন্য ভালো নয়, সেটা ভুলে গেলে চলবে না। তবে মিষ্টির প্রতি অদম্য টান এড়াতে পারেন না অনেকেই। সেক্ষেত্রে জেনে নেওয়া জরুরি কখন খেলে ক্ষতি এড়ানো যাবে।
বিভিন্ন গবেষণা এবং পুষ্টিবিদেরা জানাচ্ছেন, মিষ্টি এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার একেবারেই খালি পেটে খাওয়া যাবে না। ঘুম থেকে ওঠেই যদি মিষ্টি খেতে শুরু করেন, তাহলে ক্ষতি এড়ানো যাবে না। রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া কিছুতেই আটকানো যাবে না। অনেক সময় দেখা যায়, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফাইবারের মতো স্বাস্থ্যকর খাবারের সঙ্গে মিষ্টি খেলে সমস্যা হওয়ার কথা নয়। তবে এই বিষয়টি পুষ্টিবিদের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া জরুরি।
চিনি যে শুধু রসগোল্লা, সন্দেশে থাকে তা নয়; বিভিন্ন ধরনের পানীয়, প্রসেসড ফুডেও চিনি থাকে। তাই এই ধরনের খাবার, পানীয় সকালে না খাওয়াই শ্রেয়। তবে দুপুরের খাবার পর চাইলে মিষ্টি খেতে পারেন। কারণ এই সময়ে বিপাকহার ভালো থাকে। অন্যদিকে রাতে খাওয়ার পর মিষ্টি না খাওয়াই শ্রেয়। কারণ রাতে হাঁটাচলা হয় না। শারীরিক পরিশ্রম নেই। তাই শর্করা জমা হতে থাকে।
সর্তকর্তা
ভবিষ্যতে যেকোনো সমস্যা এড়ানোর জন্য এখন থেকেই খাবারের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যতটা সম্ভব চিনি এড়িয়ে চলতে হবে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
সূত্র: এই সময়



