ফাইবার, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং আয়রনের মতো প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর থাকে চিয়া বীজ। নিয়মিত চিয়া বীজ খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে যায়।
তবে বাজারে সাদা ও কালো- এই দুই ধরনের চিয়া বীজ পাওয়া যায়।
চলুন সাদা ও কালো চিয়া বীজের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
সাদা চিয়া বীজের রং হয় অফ হোয়াইট বা ক্রিমের মতো। অন্য দিকে, কালো বীজটি কালোর পাশাপাশি ধূসর রঙেরও হয়। দুটির রঙের পার্থক্য থাকলেও পুষ্টিগুণে এর তেমন পার্থক্য থাকে না।
পুষ্টিগুণে এগিয়ে কে?
ফাইবার, প্রোটিন, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাসে পূর্ণ বীজটির পুষ্টিগুণে খুব সামান্য হেরফের হলেও, বিশেষ কোনো পার্থক্য নেই। ‘‘মলিকিউলস’’ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা যায়, কালো চিয়া বীজে প্রোটিনের পরিমাণ যেখানে ১৬%, সেখানে সাদা বীজে প্রোটিন মেলে ১৬.৫%। কালো বীজে ফাইবার পাওয়া যায় ৩২.৬%, অপরদিকে সাদা বীজে ৩২.৪%।
বায়োলজিক্যাল এবং বায়ো-মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাদা বীজে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ আবার কালো বীজের চেয়ে অনেকটা বেশি। পুষ্টিগুণে সামান্য হেরফের হলেও, স্বাদ ও খাওয়ার পদ্ধতি অবশ্য একই রকম।
উপকারিতা
হজম এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক চিয়া বীজ। দুই বীজই একই রকম উপকারী। ডায়াবেটিস রোগীদের ওপর দুই রকম বীজ কতটা প্রভাব ফেলে জানতে সমীক্ষা চালিয়েছিল ‘‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ফার্মাসিউটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস’’। তাদের গবেষণায় দেখা যায়, দুই বীজই একই রকম উপকারী। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হোক বা ওজন কমানো- দুই ধরনের বীজে প্রায় একই মাত্রার ফাইবার থাকায়, দুটি সমান কাজ করে। শুধু অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের পরিমাণে এগিয়ে থাকে সাদা চিয়া বীজ।



রাতে চিয়া বীজ খেলে কী হয়?