চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রায় এক দশকের মধ্যে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথম তিন দিনের সফরে চীন গেলেন।
বুধবার (১৩ মে) বার্তা সংস্থা এএফপি’র এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ওয়াশিংটন থেকে ‘এয়ারফোর্স ওয়ানে’ বুধবার চীনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৫০ মিনিটে বেইজিং ক্যাপিটাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে নামেন ট্রাম্প।
এয়ারপোর্টে ট্রাম্পকে ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং এরপর তিনি লাল গালিচা ধরে হেঁটে যান। সেসময় দুপাশে সাদা ইউনিফর্ম পরা ৩০০ চীনা তরুণ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগতম জানায়।
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সফরসঙ্গী যারা-
ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। তালিকায় আছেন, মার্কিন ধনকুবের স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক ও এনভিডিয়ার প্রধান জেনসেন হুয়াং।
এছাড়াও, আছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক, বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকরকের ল্যারি ফিঙ্ক এবং মেটা, ভিসা, জেপি মরগান, বোয়িং ও কারগিলসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বিবিসিকে জানান, ট্রাম্পের এই সফরে আরও অনেক মার্কিন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা যোগ দিচ্ছেন।
সফরে আরও আছেন- মেটার প্রেসিডেন্ট ও ভাইস চেয়ার দিনা পাওয়েল ম্যাককর্মিক, বোয়িংয়ের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কেলি ওর্টবার্গ, ভিসার প্রধান নির্বাহী রায়ান ম্যাকইনার্নি, বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ব্ল্যাকস্টোনের প্রধান নির্বাহী স্টিফেন সোয়ার্জম্যান, খাদ্য ও কৃষি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান কারগিলের প্রধান নির্বাহী ও চেয়ারম্যান ব্রায়ান সাইকস, সিটির প্রধান নির্বাহী জেন ফ্রেজার, টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান কোহেরেন্টের প্রধান নির্বাহী জিম অ্যান্ডারসন, জিই অ্যারোস্পেসের প্রধান নির্বাহী হেনরি লরেন্স কাল্প, গোল্ডম্যান স্যাকসের প্রধান নির্বাহী ডেভিড সলোমন, ইলুমিনার প্রধান নির্বাহী জ্যাকব থেসেন, মাস্টারকার্ডের প্রেসিডেন্ট মাইকেল মিবাচ।
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি ও প্রভাবশালী দুই দেশের প্রধান নেতার বহুল প্রতীক্ষিত বৈঠক নিয়ে আলোচনা বিশ্বজুড়ে।
বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, ইরান ইস্যু, বাণিজ্য ও তাইওয়ান নিয়ে বিরোধগুলো প্রাধান্য পাবে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক সম্মেলনে।



