Tuesday, July 28, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে শপিং মল ধস, আটকা বহু মানুষ

বিভিন্ন সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কিউশু দ্বীপের কুমামোতো প্রিফেকচারে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেলে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপে বিস্তীর্ণ এলাকা। এতে কাজিমা টাউনের একটি শপিং মলের অংশবিশেষ ধসে পড়েছে। ভবনটির ভেতরে বহু মানুষ আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এতে বেশ কয়েকজনের প্রাণহানির আশঙ্কাও রয়েছে।

ভূমিকম্পের পর দেশটির বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ৫০ জন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে ভবন ধসে পড়া, সড়ক ও সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এবং অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়া গেছে।

শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর প্রাথমিকভাবে সুনামির আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে পরে জাপানের আবহাওয়া দপ্তর জানায়, ভূমিকম্পটি অভ্যন্তরীণ এলাকায় সংঘটিত হওয়ায় উপকূলীয় অঞ্চলে সুনামির কোনো ঝুঁকি নেই।

ভূমিকম্পের প্রভাবে কিউশু ইলেকট্রিক পাওয়ারের আওতাধীন কুমামোতো অঞ্চলের প্রায় ৪৫ হাজার পরিবার ও স্থাপনায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তবে দেশটির পরমাণু নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আশপাশের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো অস্বাভাবিকতা বা ত্রুটি শনাক্ত হয়নি।

এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার কাছাকাছি থাকা সনি ও বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টিএসএমসি তাদের কারখানা ও কার্যক্রমের বর্তমান পরিস্থিতি মূল্যায়ন করছে।

প্রশান্ত মহাসাগরীয় “রিং অব ফায়ার” অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় জাপান বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। দেশটিতে প্রতিবছরই শত শত ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর আগে ২০১৬ সালে কুমামোতো অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল। ২০১১ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্প ও সুনামির স্মৃতিও এখনো জাপানিদের মনে তাজা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির কার্যালয় থেকে মানবজীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে জরুরি উদ্ধারকাজ পরিচালনা ও ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী আফটারশক বা সম্ভাব্য নতুন কম্পনের বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

   

About

Popular Links

x