ইন্দোনেশিয়ার জাভা ও সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করা সুন্দা প্রণালির একটি দ্বীপে অবস্থিত আনাক ক্রাকাতাউ আগ্নেয়গিরি সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিপুল পরিমাণ লাভা, গ্যাস ও ছাই উদ্গীরণের জেরে রাজধানী জাকার্তার সোয়েকার্নো-হাট্টাসহ দেশটির আটটি বিমানবন্দরে উড্ডয়ন ও অবতরণসহ সব ধরনের ফ্লাইট অপারেশন স্থগিত রাখা হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
এতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন। দেশটির কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতির কারণে ১ হাজার ৫৫৮টি ফ্লাইটের উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে সক্রিয় হয়ে ওঠে আনাক ক্রাকাতাউ। এরপর ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় নিম্নমাত্রার ভূকম্পন শুরু হয় এবং আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে লাভা, গ্যাস ও ছাই উদ্গীরণ হতে থাকে। রোববারও দু’দফা উদ্গীরণ হয়েছে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আটকা পড়া যাত্রীদের অধিকাংশই সিঙ্গাপুর, দোহা, সিডনি ও কুয়ালালামপুর রুটের।
ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী দুদি পুরওয়াগনাদি সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিম জাভা দ্বীপেও আগ্নেয়গিরির ছাই ছড়িয়ে পড়ছে, এমন তথ্য পাওয়ার পর বিমানবন্দরগুলোতে ফ্লাইট অপারেশন স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আটকা পড়া যাত্রীরা চাইলে টিকিটের পুরো অর্থ ফেরত পাবেন। পাশাপাশি ফ্লাইট চলাচল পুনরায় শুরু হলে তা দ্রুত যাত্রীদের জানাতে বিমান সংস্থাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



