Friday, May 24, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘন: জাতিসংঘের তদন্ত কমিটির প্রধান বাংলাদেশি আইনজীবী

বাংলাদেশের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেনের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে আছেন পাকিস্তানের শাহীন সরদার আলী এবং আর্জেন্টিনার ভিভিয়ানা ক্রিস্টিসেভিচ

আপডেট : ২১ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:২৩ পিএম

ইরানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি করেছে জাতিসংঘ। বাংলাদেশের আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী ব্যারিস্টার সারা হোসেনের নেতৃত্বে ওই কমিটিতে আছেন পাকিস্তানের শাহীন সরদার আলী এবং আর্জেন্টিনার ভিভিয়ানা ক্রিস্টিসেভিচ।

মানবাধিকার কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত ফেদেরিকো ভিলেগাস মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) এই কমিটি অনুমোদন দেন। সারা হোসেন সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেনের বড় মেয়ে। 

জাতিসংঘ জানিয়েছে, এ বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে ইরানে চলমান বিক্ষোভের সঙ্গে সম্পর্কিত অধিকার লঙ্ঘন, বিশেষ করে নারী ও শিশুদের সম্মানের বিষয়গুলো তদন্ত করবে এই কমিটি। তারা ইরানের সরকার, জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের কার্যালয়, মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদকসহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করবেন। নাগরিক সমাজের সঙ্গেও কথা বলবে।  

আরও জানায়, এই কমিটি ২০২৩ সালের জুনে মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫০তম অধিবেশনের ইন্টারেক্টিভ সেশনে তদন্তের প্রাথমিক ফল জানাবে, যার চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরিতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কাজ করার সুযোগ পাবে তারা।

ব্যারিস্টার সারা হোসেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, তিনি সংবিধান, জনস্বার্থ এবং পারিবারিক আইন বিশেষজ্ঞ। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের নির্বাহী পরিচালক হিসেবেও কাজ করছেন তিনি। এর আগে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কোরিয়ার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ারের বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া উইমেনস ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিশন অব জেন্ডার জাস্টিসের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য; ইউনাইটেড নেশনস ট্রাস্ট ফান্ড ফর ভিক্টিমস অব টর্চারের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য হিসেবে তিনি ২০১৭ সাল থেকে কাজ করছেন তিনি। 

অণ্রদিকে অধিকৃত ফিলিস্তিনে ২০১৮ সালের বিক্ষোভের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় জাতিসংঘের তদন্ত কমিটির সদস্যও ছিলেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ইরানে এ বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশের হেফাজতে মাহশা আমিনি নামে এক তরুণীর মৃত্যু হয়। ঠিকমতো হিজাব না পরা অভিযোগে প্রথমে তাকে আটক করা হয় পরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পুরো ইরানজুড়ে শুরু হয় বিক্ষোভ। দেশটির সরকার বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নেয়। দেশটির মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এখন পর্যন্ত বিক্ষোভ-সহিংসতায় ৪০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গণগ্রেপ্তার ও তড়িঘড়ি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাও ঘটে।

About

Popular Links