প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৯ পিএমআপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:২৯ পিএম
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে আয়োজন করা হয়েছে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। তবে প্রতিযোগীরা কিন্তু মানুষ নয়, উট!
সেই প্রতিযোগিতায় জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে বোটক্স ইঞ্জেকশন ও অন্যান্য কৃত্রিম কারিকুরির আশ্রয় নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে ৪৩টি উটের মালিকের বিরুদ্ধে। ফলাফল প্রতিযোগিতা থেকে বাদই পড়তে হলো ওই ৪৩টি উটকে।
আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিযোগিতার বিচারকরা জানিয়েছেন, কারচুপি ধরতে এ বছর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল। তাতেই ধরা পড়েছে উট মালিকদের কৌশল।
ডিসেম্বরেই শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ৪০ দিন ধরে। এই নিয়ে ষষ্ঠ বছরে পড়ল প্রতিযোগিতাটি। এতে রয়েছে ১৯টি বিভাগ। আরব দেশগুলির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স থেকেও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন বহু উট মালিক।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বাতিল হওয়া ৪৩টি উটের ক্ষেত্রে বোটক্স ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি অন্যান্য কসমেটিক বদলও ঘটানো হয়েছিল, যাতে আরও আকর্ষক করে তোলা যায় উটগুলিকে। মূলত উটের মাথা, গলা, কুঁজ, পোশাক, হাঁটাচলার উপর ভিত্তি করে বিজয়ী নির্ধারণ করেন বিচারকেরা।
এ বছর বিচারকদের নজরে আসে অনেক উটের ক্ষেত্রেই কৃত্রিম পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। কারচুপি ধরার জন্য এক্স রে, থ্রিডি আলট্রাসাউন্ড মেশিনও ব্যবহার করা হয়। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শুধু বাতিল নয়, ওই উটের মালিকদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ ও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। বোটক্স বা হরমোন বদলের ইঞ্জেকশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক উট পিছু ২৭ হাজার ডলার।
সুন্দরী প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়লো ৪৩ উট!
প্রতিযোগিতায় জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে বোটক্স ইঞ্জেকশন ও অন্যান্য কৃত্রিম কারিকুরির আশ্রয় নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে ৪৩টি উটের মালিকের বিরুদ্ধে
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কাছে আয়োজন করা হয়েছে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার। তবে প্রতিযোগীরা কিন্তু মানুষ নয়, উট!
সেই প্রতিযোগিতায় জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে বোটক্স ইঞ্জেকশন ও অন্যান্য কৃত্রিম কারিকুরির আশ্রয় নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে ৪৩টি উটের মালিকের বিরুদ্ধে। ফলাফল প্রতিযোগিতা থেকে বাদই পড়তে হলো ওই ৪৩টি উটকে।
আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিযোগিতার বিচারকরা জানিয়েছেন, কারচুপি ধরতে এ বছর অত্যাধুনিক প্রযুক্তির আশ্রয় নেওয়া হয়েছিল। তাতেই ধরা পড়েছে উট মালিকদের কৌশল।
ডিসেম্বরেই শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ৪০ দিন ধরে। এই নিয়ে ষষ্ঠ বছরে পড়ল প্রতিযোগিতাটি। এতে রয়েছে ১৯টি বিভাগ। আরব দেশগুলির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স থেকেও প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন বহু উট মালিক।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বাতিল হওয়া ৪৩টি উটের ক্ষেত্রে বোটক্স ইঞ্জেকশনের পাশাপাশি অন্যান্য কসমেটিক বদলও ঘটানো হয়েছিল, যাতে আরও আকর্ষক করে তোলা যায় উটগুলিকে। মূলত উটের মাথা, গলা, কুঁজ, পোশাক, হাঁটাচলার উপর ভিত্তি করে বিজয়ী নির্ধারণ করেন বিচারকেরা।
এ বছর বিচারকদের নজরে আসে অনেক উটের ক্ষেত্রেই কৃত্রিম পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছে। কারচুপি ধরার জন্য এক্স রে, থ্রিডি আলট্রাসাউন্ড মেশিনও ব্যবহার করা হয়। আয়োজকেরা জানিয়েছেন, শুধু বাতিল নয়, ওই উটের মালিকদের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ ও কড়া পদক্ষেপ করা হবে। বোটক্স বা হরমোন বদলের ইঞ্জেকশন ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক উট পিছু ২৭ হাজার ডলার।