ইকুয়েডরের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী ফার্নান্দো ভিলাভিসেনসিওকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিয়ে ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।
স্থানীয় সময় বুধবার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় দেশটির কুইটো শহরে এ ঘটনা ঘটে। ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইলারমো লাসো এক্স বার্তায় (সাবেক টুইটার) ফার্নান্দোর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন।
এই হত্যাকাণ্ডের পর জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট গুইলারমো। এ সময় তিনি বলেন, “এটা সংঘবদ্ধ অপরাধ, যা পুরো দেশকে স্তব্ধ করেছে। যেই জড়িত থাকুক, অপরাধীদের ছাড় দেওয়া হবে না। বিচার করা হবে।”
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে ইকুয়েডরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুয়ান জাপাতা বলেন, “কুইটো শহরে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেন ফার্নান্দো। মিছিল শেষ হওয়ার পরপরই তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয়।”
৫৯ বছর বয়সী ফার্নান্দো একজন মধ্যপন্থী রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। তিনি দেশটির মুভিমিয়েন্তো কনস্ট্রুয়ে দলের নেতা ও সাবেক সাংবাদিক। তিনি দুর্নীতি বিরোধী নেতা হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।
২০ আগস্ট ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম দফার এই নির্বাচনে অংশ নেওয়া আটজন প্রার্থীর একজন ছিলেন ফার্নান্দো।
ফার্নান্দোকে গুলি করার ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে মারা গেছেন হয়েছেন।



