Tuesday, June 25, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে মিয়ানমার সরকার

২০২১ সালের অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক শাসন দুর্বল হয়ে পড়ছে

আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৪, ১১:৩২ পিএম

বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আলোচনার জন্য এখনই উপযুক্ত সময় বলে উল্লেখ করেছেন থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন।

তার মতে, ২০২১ সালের অভ্যুত্থানে ক্ষমতা দখলকারী সামরিক শাসন দুর্বল হয়ে পড়ছে।

বর্তমানে একাধিক ফ্রন্টে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সামরিক বাহিনী। প্রায় প্রতিদিনই জান্তা কোনো না কোনো চেক পোস্ট, সামরিক ঘাঁটি ছাড়তে বাধ্য হচ্ছে।

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থান হয়। আটক করা হয় নোবেলজয়ী অং সান সু চিসহ দেশটির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) গণতান্ত্রিক সরকারের শীর্ষ নেতাদের। তখন থেকে মিয়ানমারজুড়ে জরুরি অবস্থা চলছে।

১৯৬২ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশে প্রথম ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে জেনারেলরা তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। যুব-নেতৃত্বাধীন গণতন্ত্রপন্থী অভ্যুত্থান প্রতিবাদের তরঙ্গ সামরিক সরকার জোর করে দমনের পদক্ষেপ নেয়। বর্তমানে এই প্রতিবাদ রুপ নিয়েছে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনে।

রবিবার সামুইয়ের রিসর্ট দ্বীপে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে স্রেথা বলেন, ‘‘হারলেও, সামরিক বাহিনীর শক্তি আছে, তাদের অস্ত্র রয়েছে।’’

তিনি বলেন, ‘‘বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আলোচনার জন্য এখনই উপযুক্ত সময়।’’

২০২৩ সালের আগস্টে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মিয়ানমারে একাধিক গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে থাইল্যান্ডের স্রেথা সরকার। তারা মূলত ‘বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সঙ্গে মিয়ানমার সরকারের আলোচনার পথ প্রশস্ত করার চেষ্টা করছে।

মার্চে মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল থাই পার্লামেন্ট। যেখানে জান্তার আপত্তি সত্ত্বেও মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরোধীদের উপস্থিত নিশ্চিত করা হয়েছিল।

স্রেথা বলেন, ‘‘মিয়ানমার থাইল্যান্ডের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি ও থাই কর্মকর্তারা মিয়ানমারের বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এবং চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে কথা বলেছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘মিয়ানমার একীভূত, শান্তিপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ হলে যে দেশটি সবচেয়ে বেশি লাভ করতে পারে তা হলো থাইল্যান্ড।’’

মিয়ানমারের পরিস্থিতি সম্পর্কে গণমাধ্যমের অনুসন্ধানের পর এক বিবৃতিতে থাই মুখপাত্র চাই ওয়াচারং বলেন, ‘‘থাই সরকার আন্তর্জাতিক সংঘাতে পক্ষ নেবে না। এর নীতি হবে শান্তিপূর্ণভাবে সংঘাত মোকাবেলা করা।’’

থাই প্রধানমন্ত্রী স্রেথা থাভিসিন বলেন, ‘‘মিয়ানমারের বিষয়ে সরকারি নীতিমালা গ্রহণে মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী, সিনিয়র সামরিক এবং নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলার চিন্তা করছি।’’

তিনি বলেন, ‘‘এই ইস্যুতে প্রধানতম অবস্থানে থাকা পাঁচ বা ছয়জনের সঙ্গে আমি কথা বলেছি। তারা একই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে চান।’’

About

Popular Links