হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসির মৃত্যুর ঘটনায় শোকে মুহ্যমান ইরান। রাইসি ও তার সঙ্গে মৃতদের শেষ বিদায় জানাতে মিলিত হচ্ছেন হাজারো মানুষ।
বুধবার (২২ মে) দ্বিতীয় দিনের মতো তেহরানে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইব্রাহিম রাইসি ও তার সঙ্গীদের জানাজা। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ জানাজায় ইমামতি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি।
প্রেস টিভি বলেছে, এই জানাজায় সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। এরপর আজাদি চত্বরের পথে একটি শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতেও যোগ দেন শোকার্ত জনতা।
এর আগে, মঙ্গলবার তাবরিজ এবং কোম শহরে নিহতদের পৃথক জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে মরদেহগুলো নিয়ে যাওয়া হয় তেহরানের গ্রান্ড মোসাল্লায়।
গত রবিবার আজারবাইজানের সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই দেশের যৌথভাবে নির্মিত একটি বাঁধ উদ্বোধন করতে যান ইব্রাহিম রাইসি। তার সঙ্গে সেখানে আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভও ছিলেন।
সেখান থেকে তিনটি হেলিকপ্টারে করে তাবরিজে ফিরছিলেন ইব্রাহিম রাইসি। জোলফা এলাকার কাছে দুর্গম পাহাড়ে প্রেসিডেন্টকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়। তবে অন্য দুটি হেলিকপ্টার নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছায়।
এ ঘটনায় ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মাদ মোখবারকে ইরানের অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে পাঁচ দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করেছে দেশটি।
আয়াতুল্লাহ খামেনির বরাত দিয়ে ইরানের সরকারি সংবাদমাধ্যম ইরনা জানায়, মোখবার দেশের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করবেন এবং ৫০ দিনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করবেন।



ইরানের গণমাধ্যম: প্রেসিডেন্ট রাইসি নিহত
রাইসির হেলিকপ্টারে কী ঘটেছিল সেদিন, জানালেন প্রত্যক্ষদর্শী কর্মকর্তা
তাবরিজে রাইসির শেষ বিদায়ে হাজারো মানুষের ঢল