Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

অনিদ্রার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে যা করতে পারেন নারীরা

চিকিৎসকদের মতে, পুরুষের চেয়ে নারীদের ঘুমের প্রয়োজন বেশি

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০২৫, ০৩:৫৭ পিএম

শরীর সুস্থ রাখতে ঘুমের বিকল্প নেই। বিশষজ্ঞদের মতে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সুস্থতার জন্য আট ঘণ্টা নির্বিঘ্ন ঘুম প্রয়োজন। কারো কারো ক্ষেত্রে এটি কমবেশি হতে পারে।

তবে কয়েক রাত ঠিকমতো না ঘুমোলেই যে অসুস্থ হয়ে পড়বেন, এমন নয়। কিন্তু এর প্রভাবে মস্তিষ্ক একইভাবে সচল নাও থাকতে পারে। এ কারণে কাজের সময়ে অনেক কিছুই গুলিয়ে যেতে পারে। মন দিয়ে কাজ করতে অসুবিধা হতে পারে। সমস্যা হয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও।

চিকিৎসকদের মতে, পুরুষের চেয়ে নারীদের ঘুমের প্রয়োজন বেশি। ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নারীদের জন্য যথেষ্ট নয়।

“ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন” বলছে, প্রায় ৪০% নারী অনিদ্রায় ভুগে থাকেন। প্রাথমিক কয়েকটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে জৈবিক গঠন অনুসারে পুরুষ এবং নারীদের ঘুমের প্রয়োজনীয়তার মধ্যে সামান্য পরিবর্তন থাকতে পারে।

এছাড়া গবেষণায় বলা হয়েছে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের ঘুম অনেক বেশি সজাগ। অর্থাৎ, ছেলেদের মধ্যে গভীর ঘুমের প্রবণতা আছে, তুলনায় মেয়েদের ঘুম পাতলা। ফলে সময় পেলেও বিভিন্ন কারণে ঘুম ভেঙে যায়।

অনেক নারীই যে হেতু ঘর এবং বাইরে দুটোই সামলান, তার জন্য একটা মানসিক চাপ সব সময়ে কাজ করে তাদের মধ্যে। নিশ্চিন্তে ঘুমোনোর সুযোগ কম থাকে। এ ছাড়াও হরমোনের ভারসাম্য রক্ষা করতে, মানসিক স্বাস্থ্য ভারো রাখতে, ব্যক্তিগত জীবনযাপন ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতেও মহিলাদের ঘুমের প্রয়োজন বেশি।

অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে যা করতে পারেন নারীরা

টিভি, ল্যাপটপ কিংবা ফোন ব্যবহার করার সময় কমিয়ে আনুন। বৈদ্যুতিক পর্দায় চোখ রাখলেই মস্তিস্ক সজাগ ও সক্রিয় হয়ে ওঠে। শুতে যাওয়ার অন্তত ঘণ্টাখানেক আগে এই নিজেকে এই ধরনের পর্দার সামনে থেকে সরিয়ে নিন। যদি কিছু করতেই হয়, তবে একটু দূর থেকে মৃদু সঙ্গীত বাজাতে পারেন। তবে হেডফোন কানে লাগিয়ে ঘুমাবেন না।

কী খাচ্ছেন তার সঙ্গেও ঘুমের যোগ রয়েছে। ক্যাফিন-সমৃদ্ধ খাবার খেলে বেশ কয়েক ঘণ্টা ঘুম আসে না। কফি ও চকোলেটে এই উপাদানটি থাকে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত ৬ ঘণ্টা আগেই থামিয়ে দিতে হবে এই ধরনের খাবার। পাশাপাশি রাতের খাবার যথাসম্ভব হালকা রাখাই ভালো অতিরিক্ত তেল মশলাযুক্ত খাবার খেলে হজমের সমস্যায় ঘুম আসতে বিলম্ব হতে পারে।

ঘুমাতে যাওয়ার সময় অনেকেরই মাথায় হরেক রকমের দুশ্চিন্তা আসে। আর এই দুশ্চিন্তাই অনিদ্রার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই সমস্যাগুলি মাথার থেকে বার করে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর সবচেয়ে ভাল উপায় রোজ ঘুমানোর আগে দুশ্চিন্তার কথা লিখে রাখা। শুধু দুশ্চিন্তার কথা নয়, আগামী দিনে কী কী কাজ বাকি পড়ে আছে, তা-ও লিখে রাখতে পারেন। এতে অন্তত কিছু সময়ের জন্য মাথা হালকা হয়ে যেতে পারে।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

   

About

Popular Links

x