Wednesday, May 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ঢাকা লিট ফেস্ট

‘গল্প’ লেখার গল্প শোনালেন আনজুম এন চৌধুরী

দশম ঢাকা লিট ফেস্টের সমাপনী দিনের একটি সেশনে নিজের লেখা কল্পকাহিনী, অনুগল্প বলার ধরন নিয়ে কথা বলেন আনজুম এন চৌধুরী

আপডেট : ০৮ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৮ পিএম

বাংলা একাডেমিতে চলছে সাহিত্যের অন্যতম শীর্ষ আসর ঢাকা লিট ফেস্ট। করোনাভাইরাস মহামারির বাঁধা পেরিয়ে তিন বছর পর গত বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) থেকে শুরু হওয়া ঢাকা লিট ফেস্টের দশম আসরের সমাপনী দিন আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) । এবারের আসরে অংশ নিচ্ছেন পাঁচ মহাদেশের পাঁচ শতাধিক বক্তা। চার দিনের এই উৎসবে ১৭৫টির বেশি সেশনে অংশ নিচ্ছেন তারা।

সমাপনী দিনের সকাল থেকে তীব্র শীত ও কুয়াশা উপেক্ষা করে বাংলা বিশ্ব সাহিত্যের মেলবন্ধনের এ উৎসবে হাজির হয়েছেন দর্শনার্থীরা।

প্রথম তিন দিনের মতো রবিবারও ঢাকা লিট ফেস্টে রয়েছে নানা আয়োজন। এদিন নিজের লেখা কল্পকাহিনী, অনুগল্প বলার ধরন নিয়ে বাংলা একাডেমির কসমিক ট্যান্টে একটি সেশনে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গল্পকার আনজুম এন চৌধুরী। এই সেশনে সঞ্চালক ছিলেন কল্পকাহিনী লেখক, সাংবাদিক সাবরিনা ফাতমা আহমেদ। 

আনজুম এন চৌধুরী পড়েছেন অর্থনীতি ও গণিত নিয়ে। তবে তার নিজের অস্ত্বিত্বের পরিচয়ে হয়ে উঠেছে গল্প কথক হিসেবে। উপন্যাস ও ছোট গল্পের মাধ্যমে নিজের বুনন করা গল্পগুলো বলে চলেছেন তিনি। জীবনের বড় একটা সময় কাটিয়েছেন নেপাল, ভারত ও নেদারল্যান্ডসে। কৈশরে নেপাল ও ভারতে থাকায় নিজের মনের ভেতরে রুপকথা ও কল্পকাহিনী গেঁথেছিলেন। 

নিজের লেখা “দ্য ডিভাইন থ্রেড” ছোটগল্পে সেই ছোটবেলায় পড়া মুঘল স্থাপনার আদলেই গল্প বলেছেন আনজুম চৌধুরী।

ডিভাইন থ্রেডের গল্প তৈরি সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি বিভিন্ন জায়গা থেকে, বিভিন্ন সময় থেকে উপাদান নিয়েছি। আমার ছোটবেলাটা আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে এই বইটি লেখার ক্ষেত্রে। অনুগল্প হতে হবে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায়, যাতে এর মধ্যে কোনও মিথ্যা না থাকে।”

গল্প তৈরির প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেন আনজুম চৌধুরী। অনুগল্পের চরিত্রের বেড়ে ওঠা এবং সম্পর্কের উন্নয়নে গুরুত্বআরোপ করেন এই লেখক। 

সঞ্চালক সাবরিনা লেখকের কাছে জানতে চান উপন্যাস না লিখে কেন আপনি ছোটো গল্পে আগ্রহী হলেন? উত্তরে আনজুম চৌধুরী হাসির ছলেই বলেন, “আমার প্রকাশকের ইচ্ছায়।” 

একপর্যায়ে সঞ্চালক সাবরিনার কাছে আলোচক আনজুম চৌধুরী জানতে তার ভ্রমণ প্রসঙ্গে। এর জবাবে সাবরিনা বলেন, “আমি ছোটোবেলায় বাবার সঙ্গে রোজার মাসে সেহরি'র সময়ের স্মৃতিগুলোই আমাকে 'সেহরি টেলস' গল্প লিখতে সাহায্য করেছে। আমি এক অনুচ্ছেদের এবং এক আলোচনার গল্প অপছন্দ করি।”

আনজুমের কাছে আবার তার গল্প সম্পর্কে জানতে চান সঞ্চালক। তিনি বলেন, “আমি গল্পের মধ্যে থাকতে পছন্দ করি। এই চরিত্র এক সময় আমার বন্ধু হয়ে যায়।” 

আলোচনা পর্বের শেষের দিকে উপস্থিত দর্শকের সঙ্গে সরাসরি গল্প তৈরির প্রক্রিয়া দেখিয়ে দেন আলোচক আনজুম চৌধুরী ও সঞ্চালক সাবরিনা ফাতমা। দর্শকরা নিজেরাই নিজেদের গল্পের চরিত্র তৈরি করে ফেলেন মুহূর্তেই।

About

Popular Links