Friday, June 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

সহজে মালয়েশিয়া ভ্রমণের কিছু টিপস

বাংলাদেশ থেকে দূরত্বও দেশটিকে সাশ্রয়ী মূল্যের ছুটির গন্তব্য হিসেবে উপযুক্ত বলে মনে করা হয়

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৩, ১১:৫৬ পিএম

বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের কাছাকাছি যেতে এশিয়ার মধ্যে অন্যতম দর্শনীয় এক স্থান মালয়েশিয়া। দেশটি মালয়, চীনা ও ভারতীয় নাগরিক ছাড়াও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর বিপুল সংখ্যক মানুষের বাসস্থান।

মানুষের এই বিভিন্নতার কারণে মালয়েশিয়াকে বিভিন্ন সংস্কৃতির একটি গলিত মিশ্রণের পাত্র করে তুলেছে।

বাংলাদেশ থেকে দূরত্বও দেশটিকে সাশ্রয়ী মূল্যের ছুটির গন্তব্য হিসেবে উপযুক্ত বলে মনে করা হয়।

এখানে জানব মালয়েশিয়া ভ্রমণের সেরা কিছু টিপস।

কিভাবে যাব?

মালয়েশিয়ায় বেড়াতে যাওয়ার আগে প্রথমেই আপনার প্রয়োজন হবে দেশটির ভিসা।

দাপ্তরিক পাসপোর্ট বাদে সব বাংলাদেশি নাগরিকের জন্যই মালয়েশিয়া ভ্রমণের ভিসা বাধ্যতামূলক।

তবে সুখবর হচ্ছে, ই-ভিসার ব্যবস্থা আছে মালয়েশিয়া প্রবেশের ক্ষেত্রে। তাই অনলাইনেই ভিসার আবেদন সেরে ফেলা যায়।

আবেদনের খরচটাও খুব একটা বেশি নয়। ভিসার পরই আসে ফ্লাইট বাছাইয়ের পালা।

বাংলাদেশ থেকে মালয়েশিয়ার ফ্লাইট ৪ ঘন্টার দূরত্বে।

সাধারণত রাজধানী কুয়ালালামপুরের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেন অবতরণ করে।

এ ক্ষেত্রে সঠিক সময় ফ্লাইট বুক করাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ফ্লাইটের খরচও সময়ের সঙ্গে ওঠানামা করে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সব এয়ারলাইনসের টিকিটের মূল্য তুলনা করে দেখাটা সেরা অপশন।

কারণ বিভিন্ন তারিখে বিভিন্ন এয়ারলাইনসে ফ্লাইটের দামের পার্থক্য থাকে। এ জন্যই দেখে নিতে পারেন গোযায়ান অ্যাপ।

গোযায়ান অ্যাপে নিজের গন্তব্য এবং নির্দিষ্ট তারিখ দিয়ে অনুসন্ধান করলেই পেয়ে যাবেন সব ধরনের এয়ারলাইনস এবং ফ্লাইটের খোঁজ। 

সেখানে দামসহ ফ্লাইটের যথাযথ সময়, যাত্রাবিরতির সময়, লাগেজ সীমাসহ যাবতীয় তথ্য দেওয়া থাকে। তাই ফ্লাইট বুকিংটা হবে একেবারেই ঝামেলামুক্ত।

কোথায় থাকবেন

মালয়েশিয়ার একেক প্রান্তে আছে একেক ধরনের সৌন্দর্য। রাজধানী শহর কুয়ালালামপুর একেবারে আধুনিক এবং অভিজাত। শহরটি ভিন্নধারার আধুনিক স্থাপত্যশিল্পের জন্য সুপরিচিত। 

পেট্রোনাস টুইন টাওয়ার, লেক সিম্ফনি, বাতু গুহা, জালান আলোর সুস্বাদু স্ট্রিট ফুড ইত্যাদি একেবারে না দেখলে, না খেলেই নয়। পর্যটনবান্ধব শহর হওয়ায় কুয়ালালামপুরে সব পরিসরের হোটেলই পাওয়া যায়। বাজেট বেশি হোক বা কম, কুয়ালালামপুরে খুঁজে পাবেন পছন্দমতো হোটেল। হোটেল খোঁজার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পেতে পারবেন গোযায়ান অ্যাপে।

ফ্লাইট বুকিংয়ের পাশাপাশি দেশ-বিদেশের যেকোনো হোটেলে বসেই আগে থেকে বুক করা যায় এই অ্যাপটি ব্যবহার করে।

বুকিংয়ের জন্য বিদেশি কার্ড বা ডলার এনডোর্সমেন্টেরও প্রয়োজন হয় না, পেমেন্ট করা যায় বাংলাদেশি মুদ্রা ব্যবহার করেই।

কী খাওয়া যায়?

খাবারের দিক দিয়ে মালয়েশিয়ায় বৈচিত্র্যের কোনো অভাব নেই। এশিয়া মহাদেশের সব জাতি একত্র হয়ে, মালয়েশিয়াকে দিয়েছে অনন্যসাধারণ একটি রূপ। ইন্দোনেশিয়ায় যেমন আছে নাসি গোরেং, তেমনি মালয়েশিয়ার আছে মি গোরেং।

মালয়েশিয়ার রাস্তায় রাস্তায় সুপরিচিত এই খাবারটি মূলত একধরনের ঝাল নুডলস। সয়া সস, মরিচ, তেল ইত্যাদির সমন্বয়ে খাবারটি বানানো হয়।

একই ধাঁচের খাবারের মাঝে আরও আছে নাসি লেমাক। এটাকে অনেকে মালয়েশিয়ার জাতীয় খাবারও বলে থাকেন। নারকেলের দুধে রান্না করা চালের সঙ্গে ঝাল তরকারি মিলিয়ে খাবারটি খাওয়া হয়।

লাকসার সুনাম এখন দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। খাবারটির উৎপত্তিস্থল মালয়েশিয়াতেই। লাকসাও একধরনের নুডলস। এর নানা সংস্করণ থাকলেও মূল খাবারটি বেশ ঝাল হয়ে থাকে।

রেনদাং নামের লাল বর্ণের মাংসের ঝোল মালয়েশিয়ার আরেকটি জনপ্রিয় খাবার।

মুরগি, গরু অথবা ভেড়ার মাংস দিয়ে খাবারটি বানানো হয়। এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের রুটি, চিকেন স্যাটে, সেনডল ইত্যাদি খাবার বেশ জনপ্রিয়।

এশিয়া মহাদেশ ঘুরতে চাইলে মালয়েশিয়াকে কোনোভাবেই বাদ দেওয়া উচিত হবে না। তাই ঘোরাঘুরির পরিকল্পনাটা শুরু করে ফেলুন এখনই।

এই নিবন্ধটি GoZayaan-এর সাথে অংশীদারিত্বে প্রকাশিত হয়েছে

About

Popular Links