Sunday, May 26, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

যে পরিবারের সব সদস্যের জন্ম একই দিনে

আমির আলি ও খুদেজা দম্পতির বিয়েও একই তারিখে

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২৩, ০১:১৭ পিএম

বছরজুড়ে একটি পরিবারের প্রতিটি সদস্যের জন্মদিন উদযাপনের জন্য সবার কতই না পরিকল্পনা থাকে। কিন্তু একটি পরিবারের সবার জন্মদিন যদি একই দিনে হয়, তাহলে কেমন হয়? ভাবছেন এও আবার কীভাবে সম্ভব? তবে পাকিস্তানে কিন্তু এমন একটি পরিবার ঠিকই আছে।

পাকিস্তানের লারকানার সেই পরিবারের ৯ জন সদস্যের জন্মদিন একই তারিখে- ১ আগস্ট। বিরল এ ব্যাপারের জন্য তাদের নাম উঠেছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসেও। এক প্রতিবেদনে এ কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ৯ সদস্যের সেই পরিবারে বাবা-মা ছাড়াও আছেন সাত সন্তান। সন্তানদের প্রত্যেকের বয়সই আবার ১৯-৩০ বছরের মধ্যে। মেয়ে (সাসুই-স্বপ্না) এবং ছেলেদের (আম্মার-আহমার) আবার আলাদা যমজ ভাই-বোনও আছে। এছাড়া বাকি তিন ভাই-বোন সিন্ধু, আমির ও আম্বারদের জন্মদিনও একই তারিখে। কোনো পরিবারের সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্যের একই তারিখে জন্ম নেওয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি বিশ্বরেকর্ড।

জন্মদিন বাদ দিলেও ১ আগস্ট তারিখটি পাকিস্তানের এই মাঙ্গি পরিবারের কাছে আরও একটি কারণে বিশেষ। পরিবারটির অভিভাবক অর্থাৎ আমির আলি ও খুদেজা ১৯৯১ সালের এই দিনেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। এ দম্পতির চার হাত এক হওয়ার ঠিক এক বছরের মাথায় তাদের ঘরে আসে প্রথম সন্তান। এরপর একে একে বাকি সব ভাই-বোনও বিভিন্ন সময়ে একই দিনে জন্ম নেয়। কোনো ধরনের জটিলতা ছাড়াই প্রতিটি শিশুর জন্ম হয়। কারও ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়ের আগে সিজারিয়ান অপারেশন করতে হয়নি।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, পাকিস্তানের এই পরিবারের সাত সন্তানের দখলে আরেকটি রেকর্ড রয়েছে, সেটি হচ্ছে কোনো পরিবারের ভাই-বোনদের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক সদস্যের একইদিনে জন্মগ্রহণ। তাদের আগে এ রেকর্ডটির মালিক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের কামিন্স পরিবার। সেই পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের জন্মদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। ১৯৫২ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে তারা একইদিনে জন্ম নেন।

১৯৯২ সালের ১ আগস্টে প্রথম সন্তান সিন্ধুর জন্মের পর আমির বেশ অবাকই হয়েছিলেন। নিজের, স্ত্রী ও সন্তানের জন্মদিন একই তারিখে হওয়াটা তার কাছে একইসঙ্গে আনন্দ এবং বিস্ময়ের উপলক্ষ হয়ে এসেছিল। পরবর্তীতে বাকি সন্তানরাও একইদিনে পৃথিবীর আলো দেখায় আমির আলীর সঙ্গে তার স্ত্রী খুদেজাও বেশ অবাক হয়েছিল। একইদিনে সব সন্তানের পৃথিবীতে আগমনকে তারা সৃষ্টিকর্তার উপহার বলেও মনে করেন।

About

Popular Links