Friday, September 25, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ডিএমপি: ককটেল ইস্যুতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে যুগ্ম কমিশনার এ মন্তব্য করেন

আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭ পিএম

ককটেল বিস্ফোরণ ইস্যুতে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম কমিশনার তোফায়েল আহমেদ মিয়া।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও ৯ হাজার মুখোশ উদ্ধারের বিষয়ে জানাতেই মূলত এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সাম্প্রতিক মন্তব্য নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ জানান, তিনি এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না কেন এই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তবে তার মতে পাটওয়ারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত। পুলিশ আদৌ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না এই প্রশ্নে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।“

প্রসঙ্গত, সরকার তিন দফা দাবি মেনে নিলে ঢাকায় আর ককটেল ফুটবে না সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছিলেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে গত সোমবার রাতে দলের মিছিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন, “আমাদের তিনটি দাবি মানা হলেই ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণ বন্ধ হয়ে যাবে।“

সংবাদ সম্মেলনে তোফায়েল আহমেদ আরও জানান, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য, ককটেল তৈরির সরঞ্জাম ও অসৎ উদ্দেশ্যে তৈরি ৯ হাজার কাগজের মুখোশসহ জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে শ্যামপুর থানা-পুলিশ। নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের এই নেতার বিরুদ্ধে ডিএমপির শাহবাগ ও লালবাগ থানায় পৃথক দুটি মামলা রয়েছে।

তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ঘটা ককটেল বিস্ফোরণের তদন্তে জাহিদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়। এর ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভোররাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দেড় কেজি কস্টিক সোডা, দেড় কেজি সালফার, পাঁচ কেজি মারবেল, দুই কেজি তারকাঁটা, ককটেল মোড়ানোর টেপ, ৯ হাজার কাগজের মুখোশ, ইলাস্টিক এবং একটি ব্লেন্ডার ও জার উদ্ধার করা হয়। এসব উপকরণ দিয়ে ককটেল তৈরি করে বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা ছিল বলে পুলিশ জানায়।

জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তোফায়েল আহমেদ বলেন, “নিষিদ্ধ যুবলীগের এক নেতার মাধ্যমে এসব মুখোশ ও বিস্ফোরক জাহিদের কাছে পৌঁছায়। জাহিদ নিজেও লালবাগ ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং তিনি স্বীকার করেছেন এই কাজে সংগঠনের আরও অনেকে জড়িত। পুলিশ ধারণা করছে, বিভিন্ন মিছিল ও অপরাধ কর্মকাণ্ডে পরিচয় গোপন রাখতেই এসব মুখোশ ব্যবহারের পরিকল্পনা ছিল।

   

About

Popular Links

x