বিএনপি একটি প্রতারক দলে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুন) দুপুরে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ডুবারচর এলাকায় একটি রেস্টুরেন্টে কর্মী সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, “বিএনপি বলছে নির্বাচনে অংশ নিবে না, কিন্তু তারা বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনের ঠিকই অংশ নিচ্ছে। এটা আসলে জনগণের সাথে প্রতারণা করার শামিল। তারা সকালে একরকম আর বিকেলে আরেক রকম কথা বলে।”
তিনি আরও বলেন, “এই দলটার জনগণের কাছে ভোট চাওয়ার মতো কোনো ধরনের আপিল নেই। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকতে হাওয়া ভবন বানিয়ে এ দেশের সম্পদ লুট করেছিল। সে সময় আওয়ামী লীগের ওপর নির্যাতন চালিয়ে সারা দেশে প্রায় ২৬ হাজার নেতা-কর্মীকে হত্যা করেছিল।”
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমি কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের কাজে আসেনি, আমি সাংগঠনিক কাজে এসেছি। কারণ আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় কাউন্সিল কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন থানা, ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে আমরা সাংগঠনিক কাজ করতে পারতেছি না। তাই আজ সিটির বাইরে কর্মীদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে।”
এদিকে, দিন যত ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের প্রচারণা, অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে তত সরগরম হয়ে উঠছে নির্বাচনি মাঠ।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে নগরীর ১৩ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ চালিয়েছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু।
গণসংযোগে বাধা এবং কর্মী, সমর্থকদের হুমকি প্রদানের অভিযোগ তুলে দুবারের সাবেক মেয়র বলেন, “নির্বাচনি প্রচারণায় বাধা, কর্মীদের ভয়ভীতি দেখানো এবং ১২ জুনের পর হামলা ও মামলার হুমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেতা-কর্মীরা।”
এর আগে, এ সকল বিষয়ে নির্বাচনি রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সংসদ সদস্যকে নির্বাচনি এলাকার বাইরে অবস্থানের নির্দেশ দেন।
এছাড়াও আগামী ১৫ জুন নির্বাচনী এলাকা এবং কেন্দ্রে বহিরাগতরা প্রবেশ না করা বিষয়ে তিনি লিখিত আবেদন করবেন বলে জানান সাক্কু।
অন্যদিকে, বৃহষ্পতিবার সকালে নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ করেছেন আরেক স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার। তিনি বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণের মধ্য দিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন।



