Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘যারা নৌকায় ভোট দিবেন না, তারা ভোটকেন্দ্রে আসবেন না’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে তাকে বলতে দেখা যায়, ‘যারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন, তারাই কেন্দ্রে আসবেন। আর যারা নৌকায় ভোট দিতে নারাজ, দয়া করে কেন্দ্রে আসবেন না’

আপডেট : ১১ জুন ২০২২, ০৪:৩৬ পিএম

আগামী ১৫ জুন অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইলের মধুপুরের অরণখোলা ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে অনিচ্ছুক, তাদেরকে কেন্দ্রে যেতে নিষেধ করেছেন আওয়ামী লীগ নেতা সাদিকুল ইসলাম সাদিক। তার এ বক্তব্য এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছেন।

বুধবার (৮ জুন) বিকেলে অরণখোলা ইউনিয়নের আমলীতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সভায় তিনি ওই বক্তব্য দেন।

যদিও সাদিকুল ইসলাম সাদিক আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী আবদুর রহিমের নির্বাচনী সভায় এই বক্তব্য দেন। সাদিকুল ইসলাম সাদিক মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মির্জাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো একটি ভিডিওতে তাকে বলতে দেখা যায়, “আমি আজকেও বলে দিতে চাই, ১৫ তারিখ ভোট হবে সারাদিন এবং নৌকা মার্কায় ভোট হবে। আপনারা ভোট দেবেন। যারা নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন, তারাই কেন্দ্রে আসবেন। আর যারা নৌকায় ভোট দিতে নারাজ, দয়া করে কেন্দ্রে আসবেন না। আমরা কিন্তু আশপাশেই অবস্থান করব। এখানে ২৪০০ ভোট রয়েছেন, যদি দুই হাজার ভোট কাস্ট হয়, আমরা দুই হাজার ভোটই পেতে চাই।”

পৃথক আরেকটি ভিডিওতে সাদিকুল ইসলামকে বলতে দেখা যায়, “যেকোনো মূল্যে নৌকাকে আমাদের বিজয়ী করতেই হবে। এ জন্য আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ আমরা প্রতিটি কেন্দ্রে দুর্গ গড়ে তুলব। যেখানে যা প্রয়োজন আমরা সেটাই ব্যবহার করব।”

বুধবারের নির্বাচনী সভায় সাদিকুল ইসলাম সাদিকের দেওয়া বক্তব্যের ভিডিও পরদিন বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি অনেক ভোটারের মাঝে অসন্তোষ এবং ভয়েরও জন্ম নিয়েছে।

তবে এটাই প্রথম না, মঙ্গলবার উপজেলার আউশনারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত গোলাম মোস্তফার নির্বাচনী সভাতেও সাদিকুল ইসলাম সাদিক একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। যদিও বক্তব্যের বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি দাবি করেন, “বক্তব্যটি বিরোধী পক্ষ এডিটিং করে আমার নামে কুৎসা রটিয়েছে।”

এ বিষয়ে মধুপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার খন্দকার মোহাম্মদ আলী বলেন, “বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। তবে এখনও এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার এইচ এম কামরুল হাসান বলেন, “যদি কেউ এমন বক্তব্য দিয়ে থাকে, তাহলে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

   

About

Popular Links

x