বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। হিউস্টনের মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে তারা কুরাসাওকে ৭-১ ব্যবধানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে নিজেদের শক্ত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে। তবে এই ম্যাচের সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় ছিল কুরাসাওয়ের ঐতিহাসিক এক গোল, যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথম।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে জার্মানি। মাত্র ৬ মিনিটেই ফেলিক্স এনমেচার গোলে তারা এগিয়ে যায়। তবে ২১ মিনিটে ঘটে চমক, লিভানো কোমেনেনসিয়া দুর্দান্ত এক শটে বল জালে পাঠিয়ে কুরাসাওকে সমতায় ফেরান। এটি ছিল বিশ্বকাপে তাদের প্রথম গোল, যা সমর্থকদের জন্য হয়ে ওঠে ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
সমতায় ফেরার পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় জার্মানি। প্রথমার্ধে নিকো শ্লটারবেক এবং কাই হাভার্টজের পেনাল্টি গোলে তারা ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বিরতির পর আরও বিধ্বংসী হয়ে ওঠে জার্মান আক্রমণভাগ।
দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক আক্রমণে কুরাসাওয়ের রক্ষণ ভেঙে পড়ে। জামাল মুসিয়ালা দ্রুত ব্যবধানে গোল বাড়ান, এরপর নাথানিয়েল ব্রাউন এবং ডেনিজ উনদাভ স্কোরশিটে নাম লেখান। ম্যাচের শেষ ভাগে কাই হাভার্টজ নিজের দ্বিতীয় গোল করে ৭-১ ব্যবধান নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের মাধ্যমে জার্মানি বিশ্বকাপে শক্তিশালী শুরু করল এবং আক্রমণভাগের গভীরতা ও ফর্ম নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিল। অন্যদিকে, প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলতে নেমেই ৭ গোল পাওয়ায় কুরাসাও ইতিহাসে নিজেদের জায়গা ব্রাজিলের পাশেই করে নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, স্কোরলাইন একপেশে হলেও কুরাসাওয়ের জন্য এই ম্যাচটি ছিল স্বপ্নপূরণের মতো একটি অভিজ্ঞতা। আর জার্মানির জন্য এটি ছিল একটি স্পষ্ট ঘোষণা-তারা শিরোপার লড়াইয়ে এবারও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ফিরেছে।



