মাঠে নামছে ইউরোপের দুই দল নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন। ৫ দশকের বেশি সময় পর বিশ্বকাপে মুখোমুখি হচ্ছে দল দুটি।
শনিবার (২০ জুন) হিউস্টন স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় শুরু হবে ‘এফ’ গ্রুপের এই ম্যাচটি।
দুই দলেরই এটি দ্বিতীয় ম্যাচ। দুই দলের শুরুটা হয়েছে দুই রকমভাবে। প্রথম ম্যাচে জাপানের সঙ্গে ২-২ ড্র করেছে নেদারল্যান্ডস। আর তিউনিসিয়াকে ৫-১ গোলে হারিয়েছে সুইডেন।
দেখে নেওয়া যাক কিছু পরিসংখ্যান-
২০১০ সালের ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে হারের পর, বিশ্বকাপে নিজেদের সবশেষ ১৩ ম্যাচে মূল ম্যাচে (নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়) হারেনি নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের ইতিহাসে কোনো দলের যৌথভাবে সবচেয়ে দীর্ঘ অপরাজিত যাত্রা এটি, ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ পর্যন্ত ছিল ব্রাজিলের।
বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডস তাদের সবশেষ দুটি ম্যাচেই ২-২ গোলে ড্র করেছে (২০২২ সালে কোয়ার্টার-ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে টাইব্রেকারে হেরেছিল তারা)। বিশ্বকাপে মাত্র একবারই তারা টানা দুটির বেশি ম্যাচে জয়হীন ছিল, ১৯৭৮ থেকে ১৯৯০ সালের মধ্যে টানা পাঁচটি ম্যাচ জিততে ব্যর্থ হয়েছিল ডাচরা।
প্রথম ম্যাচে তিউনিসিয়ার বিপক্ষে সুইডেনের পাঁচ গোল ২০১৮ বিশ্বকাপের পুরো গ্রুপ পর্বে তাদের করা গোলের সমান। বিশ্বকাপের আগের ছয়টি আসরের মধ্যে কেবল একটিতে তারা গ্রুপ পর্বে এর চেয়ে বেশি গোল করেছে (১৯৯৪ সালে ছয়টি)।
দ্বিতীয়বারের মতো কোনো বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের হাতছানি সুইডেনের সামনে। ১৯৫৮ সালের আসরে এই স্বাদ পেয়েছিল তারা। যেবার তারা ছিল আয়োজক এবং ফাইনালেও পৌঁছেছিল।
বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেও ট্রফি জিততে না পারা পাঁচ দলের দুটি নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন (নেদারল্যান্ডস ১৯৭৪, ১৯৭৮, ২০১০ সালে; সুইডেন ১৯৫৮ সালে)।
অন্য তিন দল হাঙ্গেরি (১৯৩৮, ১৯৫৪), চেকোস্লোভাকিয়া (১৯৩৪, ১৯৬২) ও ক্রোয়েশিয়া (২০১৮)
বিশ্বকাপে ইউরোপিয়ান দলগুলোর বিপক্ষে সুইডেন তাদের আগের সাতটি গ্রুপ পর্বের ম্যাচের মাত্র একটিতে জিতেছে। সেই জয়টি অবশ্য এসেছিল যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতেই, ১৯৯৪ সালে রাশিয়াকে ৩-১ গোলে হারিয়ে।
নেদারল্যান্ডস ও সুইডেন আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০ বার মুখোমুখি হয়েছে। ডাচদের ৯টি জয়ের বিপরীতে সুইডেনের জয় সাতটি।



