নাটকীয় এক লড়াই শেষে আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার শিরোপার মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।
ম্যাচে এক গোল পিছিয়ে পড়ার পর একের পর এক আক্রমণ চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পাচ্ছিল না আর্জেন্টিনা। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ নষ্ট হওয়ায় ম্যাচ যত গড়াচ্ছিল, ততই বাড়ছিল চাপ। তবে শেষ মুহূর্তে অসাধারণ লড়াইয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় আলবিসেলেস্তেরা।
৬৪ মিনিটে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বদলি হিসেবে মাঠে নামেন নিকোলাস গঞ্জালেজ। নেমেই আক্রমণে গতি আনেন তিনি। ৬৫ মিনিটে ডান দিক থেকে ভেসে আসা বলে হেড করলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তা প্রতিহত করে। ৬৯ মিনিটে লিওনেল মেসির নিখুঁত ক্রস থেকে গঞ্জালেজের শক্তিশালী হেড দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড।
৭২ মিনিটে একসঙ্গে তিনটি পরিবর্তন আনেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। সিমিওনে, নাহুয়েল মলিনা ও লিসান্দ্রো মার্টিনেজের জায়গায় মাঠে নামেন রদ্রিগো ডি পল, গনসালো মন্টিয়েল ও নিকোলাস ওতামেন্দি। পরিবর্তনের পর আক্রমণের ধার আরও বাড়ায় আর্জেন্টিনা।
৭৬ মিনিটে ডি পলের ক্রস থেকে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। পরের মিনিটে গঞ্জালেজের আরেকটি হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
অবশেষে ৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। কর্নার থেকে মেসির বাড়ানো বল ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শটে জালে পাঠান এনজো ফার্নান্দেজ। পিকফোর্ড সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও বল ঠেকাতে পারেননি।
সমতায় ফেরার পর থেমে থাকেনি আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে (৯২') লাউতারো মার্টিনেজের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান ধরে রেখে ইংল্যান্ডকে বিদায় করে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।



