এই মুহূর্তে যাকে নিয়ে বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি আলোচনা, তিনি নিঃসন্দেহে লিওনেল মেসি। মাঠের সাফল্যর পাশাপাশি অর্থনৈতিক দিক থেকেও শীর্ষ ধনীদের একজন ফুটবলের বিশ্বের অন্যতম সেরা এ তারকা।
আনন্দবাজার এক প্রতিবেদনে বলছে, মেসির বার্ষিক মোট আয় প্রায় ১৪ কোটি ডলার। এর মধ্যে ৭ কোটি ডলার আসে মাঠের খেলা থেকে এবং বাকি ৭ কোটি ডলার আসে বাণিজ্যিক চুক্তি থেকে। আর তার মোট সম্পত্তির পরিমাণ ১১০ কোটি ডলার । অর্থাৎ, তিনি হাজার কোটিপতি!
তার আয়ের বড় একটি অংশই আসে ইন্টার মায়ামির সঙ্গে করা চুক্তি থেকে। শুধু বেতনই নয়, চুক্তির অংশ হিসেবে অবসরের পর ক্লাবটির মালিকানায় অংশীদার হওয়ার সুযোগও রয়েছে তার। মেসির একাধিক বাড়ি রয়েছে। হোটেল থেকে শুরু করে নরম পানীয়ের ব্যবসা সবই এর মধ্যে রয়েছে। একাধিক বাড়ি, গাড়িও রয়েছে তার।
মেসির বাড়ি নিয়ে একটি মজার বিষয় প্রচলিত আছে। তার সব বাড়িই নাকি জলাশয়ের পাশে কেনা, যাতে সহজে বাইরের ব্যক্তির প্রবেশ না ঘটে। এরমধ্যে কোনোটিতে হেলিপ্যাড রয়েছে, কোনওটিতে নিজস্ব ফুটবল মাঠ।
তিন সন্তান থিয়াগো, মাতেও এবং কায়রোর খেলাধুলোর জন্য আলাদা প্রাঙ্গণ। জিম, সুইমিং পুল, সিনেমা দেখার থিয়েটার সবই আছে সব বাড়িতেই!
মাত্র ১৩ বছর বয়সে স্পেনের বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে যোগ দেন। ২০০৪ সালে সিনিয়র দলে অভিষেকের পর টানা ১৭ বছর বার্সেলোনার হয়ে খেলেন। এরপর দুই মৌসুম ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট-জার্মেইনে (পিএসজি) কাটিয়ে ২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যোগ দেন তিনি।
২০০৯ সালে বার্সেলোনায় প্রায় ১৯ কোটি টাকার একটি বাড়ি কেনেন মেসি। এরপর ২০১৯ সালে আমেরিকার মায়ামির ফ্লোরিডায় প্রায় ৪৭ কোটির একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন তিনি। ৬০তলার পোরশে ডিজ়াইনের বহুতলে ৩,৫৫৫ বর্গফুটের ৩টি বেডরুমের ফ্ল্যাট সেটি। এই টাওয়ারে শুধু গাড়ি উপরে তোলার জন্য একটি আলাদা কাচের লিফ্ট আছে!



