Tuesday, May 28, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

এক যুগেরও বেশি সময় পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে ইন্টার

আগামী ১০ জুন তুরস্কের ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক স্টেডিয়ামের ফাইনালে ইন্টারের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা ম্যানচেস্টার সিটি

আপডেট : ১৭ মে ২০২৩, ১২:০৭ পিএম

শেষ চারের প্রথম লেগে এসি মিলানের বিপক্ষে ২-০ গোলে জয়লাভ করায় উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে এক পা দিয়েই রেখেছিল। মঙ্গলবার (১৬ মে) সান সিরোতে ফিরতি লেগে নগরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের ১-০ গোলে হারিয়ে সেই আনুষ্ঠানিকতা সারল নেরাজ্জুরিরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলের অগ্রগামিতার মাধ্যমে ২০১০ সালের পর আবারও চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠল ইন্টার।

সেমিফাইনালের প্রথম লেগে ০-২ ব্যবধানে হেরে যাওয়ায় এসি মিলানের সামনে গোল করার বিকল্প ছিল না। দ্বিতীয় লেগের শুরু থেকেই তাই আক্রমণাত্মক ছিল সাতবারের ইউরোপ সেরারা। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা আর পায়নি স্তেফানো পিওলির শিষ্যরা।

ম্যাচের পাঁচ মিনিটে ৩৫ গজ দূর থেকে থিও হার্নান্দেজের বুলেট গতির শট গোলবার ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। মিনিট পাঁচেক পর ইন্টার গোলরক্ষক আন্দ্রে ওনানা মিলানের অলিভিয়ের জিরুডের ক্রস ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ফাঁকা জালে বল পাঠাচ্ছিলেন ব্রাহিম ডিয়াস। তবে গোললাইন থেকে হেড করে ক্লিয়ার করেন মাত্তেও দারমিয়ান।

পরের মিনিটেই সেই ডিয়াস গোলের আরও একটি সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন। চোটের কারণে প্রথম লেগে মাঠের বাইরে থাকা রাফায়েল লিয়াও মধ্যবিরতির আগে রাফায়েল লিয়াও একটি সুযোগ নষ্ট করেন। ম্যাচের ফেরার এতসব সুযোগ পায়ে ঠেলে মিলান যেন নিজেরাই নিজেদের পায়ে কুড়াল মারে। দ্বিতীয়ার্ধে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।

এসি মিলানের আক্রমণাত্মক কৌশলের সামনে ম্যাচের প্রায় পুরোটা সময়জুড়েই প্রতি আক্রমণনির্ভর ফুটবলে ব্যস্ত ছিল ইন্টার। শেষ পর্যন্ত ৭৩ মিনিটে ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগেই সেখান থেকে গোল আদায় করে নেয় তারা। প্রতি আক্রমণে রোমেলু লুকাকুর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রথমবার শট নিতে পারেননি লাউতারো মার্টিনেজ। পরেরবার বল ফিরে পেয়ে জোরালো শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার। এতে এসি মিলানের কফিনে শেষ পেরেকও ঠোকা হয়ে যায়।

১৩ বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে পৌঁছে নতুন এক ইতিহাস গড়েছে ইন্টার মিলান। গ্রুপপর্বে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ঘরের মাঠে বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হারের মুখ দেখেছিল ইতালিয়ান ক্লাবটি। তবে বায়ার্ন-বার্সেলোনার বাধা পেরিয়ে মৃত্যুকূপ থেকে বেরিয়ে ফাইনালে পা রাখল সিমোনে ইনজাগির দল। টুনামেন্টের ইতিহাসে প্রথম দল হিসেবে ঘরের মাঠে হার দিয়ে যাত্রা শুরু করেও ফাইনালে পৌঁছালো ইন্টার।

নগরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষেও দারুণ এক রেকর্ড গড়েছে ইন্টার মিলান। ১৯৭৩-৭৪ মৌসুমের পর নিজেদের ক্লাব ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো এক মৌসুমে চারবার এসি মিলানকে হারিয়েছে নেরাজ্জুরিরা। অন্যদিকে, নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইন্টারের বিপক্ষে টানা চার ম‍্যাচে গোল করতে ব‍্যর্থ হলো এসি মিলান।

আগামী ১০ জুন তুরস্কের ইস্তাম্বুলের আতাতুর্ক স্টেডিয়ামের সেই ফাইনালে ইন্টারের প্রতিপক্ষ হবে রিয়াল মাদ্রিদ কিংবা ম্যানচেস্টার সিটি। বুধবার ইতিহাদ স্টেডিয়ামে অপর সেমিফাইনালের ফিরতি লেগে পরস্পরের মোকাবিলা করবে তারা। গত সপ্তাহে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে প্রথম লেগে দুই দলের মহারণ ১-১ গোলে ড্র হয়।

About

Popular Links