Tuesday, July 21, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

প্রথমবার আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার মিরাজ

তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন তিনি

আপডেট : ১৪ মে ২০২৫, ০৩:১৯ পিএম

ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফর্ম করে আইসিসির এপ্রিল মাসের “মেনস প্লেয়ার অব দ্য মান্থ” নির্বাচিত হয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তৃতীয় বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে এই পুরস্কার জিতলেন টাইগার অলরাউন্ডার।

২৭ বছর বয়সী এই অলরাউন্ডার পেছনে ফেলেছেন জিম্বাবুয়ের পেসার ব্লেসিং মুজারাবানি ও নিউজিল্যান্ডের বেন সিয়ার্সকে। ফলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ক্রিকেটপ্রেমীদের ভোটে ওঠে এলেন শীর্ষে।

মিরাজের আগে বাংলাদেশ থেকে সর্বশেষ আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সেটিও আবার দুই বছর আগে ২০২৩ সালে। বাঁহাতি অলরাউন্ডার এই পুরস্কার জিতেছিলেন ওই বছরের মার্চে।

সাকিব ও মিরাজের আগে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাসসেরার সম্মাননা পেয়েছিলেন অভিজ্ঞ উইকেট রক্ষক ব্যাটার মুশফিকুর রহিম।

এবার ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টে ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে এই পুরস্কার অর্জন করেন মিরাজ। অসাধারণ পারফরম্যান্সের সুবাদে প্রথমবারের মতো আইসিসি টেস্ট অলরাউন্ডার র‍্যাংকিংয়ে দুই নম্বরে ওঠে আসেন তিনি।

সিরিজ সেরা খেলোয়াড় মিরাজ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্টে ১৫ উইকেট নেন, যার মধ্যে তিনবার ফাইফার (৫ উইকেট) পূর্ণ করেন। দ্বিতীয় টেস্টে চট্টগ্রামে টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি (১০৪ রান) করেন। ওই ম্যাচ বাংলাদেশ ইনিংস ও ১০৬ রানে জিতে সিরিজ ১-১ সমতায় শেষ করে।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুই টেস্ট মিলিয়ে ব্যাট হাতে মিরাজের সংগ্রহ ১১৬ রান, গড় ৩৮.৬৬। বল হাতে ১৫ উইকেট, গড় মাত্র ১১.৮৬।

পুরস্কার জয়ের পর মিরাজ বলেন, “আইসিসি মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটার হওয়া সত্যিই অবিশ্বাস্য সম্মান। আইসিসি পুরস্কার যেকোনো ক্রিকেটারের জন্য চূড়ান্ত স্বীকৃতি। বিশ্বজুড়ে ভক্তদের ভোটে এই পুরস্কার পাওয়া আমার জন্য অনেক অর্থবহ। ২০১৬ আইসিসি অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে ‘প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট’ হওয়া আমার ক্যারিয়ারের শুরুতে বিশাল অনুপ্রেরণা ছিল। আর এই পুরস্কার ঠিক ততটাই গুরুত্বপূর্ণ।”

টাইগার অলরাউন্ডার আরও বলেন, “আমি সত্যিই আনন্দিত। এই পুরস্কার আমাকে আরও অনুপ্রাণিত করবে যাতে আমি বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও সাফল্য এনে দিতে পারি। আমরা ক্রিকেটাররা স্বপ্ন দেখি পারফর্ম করার, মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর। আইসিসির এমন স্বীকৃতি আমাকে আরও কঠোর পরিশ্রম করতে এবং ধারাবাহিকভাবে দেশের হয়ে ভালো খেলতে উৎসাহিত করবে। আমি আমার সতীর্থ, কোচ এবং ভক্তদের ধন্যবাদ জানাই। এই পুরস্কার তাদের সবার।”

   

About

Popular Links

x