বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজে বের করে তা নিয়ে গবেষণা ও দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপনের লক্ষ্যে খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ মার্চ) সকালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক ও খনন কাজের ফিল্ড ডিরেক্টর ড. নাহিদ সুলতানা এ খনন কাজের উদ্বোধন করেন।
এ বিষয়ে নাহিদ সুলতানা বলেন, “মহাস্থানগড় এলাকায় আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন নিদর্শনের যেসব সাক্ষ্য বা প্রমাণ রয়েছে সেগুলো প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে উন্মোচন করে গবেষণা করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। প্রাপ্ত স্থাপত্য নিদর্শনগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণ করে তা দর্শনার্থীদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। খননে যেসব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া যাবে সেগুলো গবেষণা করে যাদুঘরে প্রদর্শন করা হবে।“
আগামী এক মাস এ খনন কাজ চলবে বলে জানান তিনি।
খনন কাজের উদ্বোধনকালে মহাস্থানগড় প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান ও খনন কার্যক্রমের দলনেতা রাজিয়া সুলতানা, প্রধান নকশা অঙ্কনকারী আফজাল হোসেন, আলোকচিত্রকর আবুল কালাম আজাদ ও সার্ভেয়ার মুরশিদ কামাল ভূঁইয়া উপস্থিত ছিলেন।
নাহিদ সুলতানা বলেন, “এবার প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের নিজস্ব উদ্যোগে খনন শুরু হয়েছে। আগামী এক মাস খনন চলবে। এর আগে সর্বপ্রথম ১৯৩৪-১৯৩৬ সালে ভারতীয় প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত এ বৈরাগীর ভিটায় খনন কাজ শুরু করেছিলেন। খনন শেষ হলে মার্চের শেষে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে মহাস্থানগড়ে পুরাকীর্তির ওপর একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে।



