কেবলই আমই নয়, খোসাও কিন্তু ফেলনা নয়। এগুলো খাওয়ার পাশাপাশি রূপচর্চার উপাদান হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসহ বেশ কিছু উপকারী উপাদান আছে এই ফলে। এসব উপাদান স্বাস্থ্যের জন্য যেমন ভালো, তেমনি ত্বকের যত্নেও অনন্য।
আমের খোসা দিয়ে রূপচর্চার কথা অনেকেরই অজানা। এটি ফেসপ্যাক বা স্ক্রাব হিসেবে মুখে ব্যবহার করলে ত্বক প্রাকৃতিকভাবেই উজ্জ্বল হয়। এছাড়াও গরমে যাদের ত্বক তৈলাক্ত হয়ে যায়, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী।
রোদে পোড়া ত্বকের যত্নে
গরমে অতিরিক্ত রোদের কারণে ত্বকে পোড়াভাব হতে পারে। গরমে অনেকেরই এমন সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা সমাধানে ব্যাবহার করতে পারেন আমের খোসা। প্রথমেই আপনাকে আমের খোসা বেটে নিতে হবে। এর সঙ্গে মেশাতে হবে লেবুর রস। ফেসপ্যাকটি ত্বকের রোদে পোড়া অংশে লাগিয়ে রাখুন। ৩০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর ধুয়ে ফেলুন।
উজ্জ্বল ত্বকের জন্য
একটি আমের খোসা বেটে এর সঙ্গে ১ চা চামচ দুধ ও ১ চা চামচ মধু মিশিয়ে নিন। এরপর মিশ্রণটি ত্বকে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া আমের খোসা রোদে শুকিয়ে গুঁড়া করে টক দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে লাগাতে পারেন।
পেক্সেলসস্ক্রাবার হিসেবে
আমের খোসা ভালোভাবে ব্লেন্ড করে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে না হলে অল্প একটু নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে ভালো করে ঘষুন। এরপর অপেক্ষা করুন ১৫ মিনিট। ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন ত্বক। যেদিন স্ক্রাব করবেন সেদিন ত্বকে সাবান বা অন্য ক্লিনজার লাগাবেন না।
ত্বক মসৃণ করতে
ব্লেন্ড করা আমের খোসার সঙ্গে ২ চা চামচ কাঁচা দুধ, ৩ চা চামচ আমন্ড বাটা ও ১ চামচ ওটস মিশিয়ে নিন। এই ফেসপ্যাকটি ত্বকে পুরু করে লাগিয়ে অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। ত্বক হবে মোলায়েম।
রোমকূপ সংকুচিত করতে
ফ্রিজের ঠাণ্ডা আমের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর ঠাণ্ডা খোসা ত্বকে চক্রাকারে বুলিয়ে নিন। এতে ত্বক শিথিল হয় এবং রোমকূপের ছিদ্র সংকুচিত হয়। ব্রণের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায়।



