Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আবারও শ্রমিকদের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ

বকেয়া বেতনের দাবিতে পৃথক স্থানে দুই পোশাক কারখানার শ্রমিকরা অবরোধ করেন

আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২৪, ১২:২৩ পিএম

গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে পোশাক শ্রমিকরা এক ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এসময় মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে গাজীপুর মহানগরীর গাজীপুরা এলাকায় তারাটেক্স পোশাক কারখানার শ্রমিকরা শাহাদাত প্লাজার সামনে উভয়মুখী মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন।

গাজীপুর শিল্প পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোশাররফ হোসেন বলেন, “মেট্রোপলিটন পুলিশ, সেনাবাহিনী ও শিল্প পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে কারখানার সামনে নিয়ে আসলে যান চলাচল শুরু হয়।”

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি) টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইস্কান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, “শ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে রেখেছিল। তাদেরকে বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে সকাল ১০টায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।”

ট্রাফিক পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, “ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী কলেজ গেট থেকে চন্দ্রা চৌরাস্তা পর্যন্ত থেমে থেমে যানবাহন চলছে।”

এ বিষয়ে তারাটেক্স পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহার এবং বকেয়া বেতনের দাবিতে গাজীপুর সদর থানার বানিয়ার চালা (বাঘের বাজার) এলাকার অ্যাপারেলস ২১ লিমিটেড (লিথি গ্রুপ) পোশাক কারখানার শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। সকাল সাড়ে ৯টা থেকে শ্রমিকরা মহাসড়কের মণ্ডল ইন্টিমেন্টস পোশাক কারখানার সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন।

শিল্প পুলিশ জানায়, বুধবার (১৩ নভেম্বর) সকাল ৮ টায় গার্মেন্টস বিভাগের কিছু শ্রমিক প্যানটেক্স মোড় এলাকায় জমায়েত হতে থাকে। এক পর্যায়ে তারা তাদের বকেয়া বেতন ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। পরে থানা ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শ্রমিকদের বুঝানোর চেষ্টা করে। কারখানার মালিকপক্ষের সঙ্গে তাদের বকেয়া বেতন, নিরীহ শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহার এবং কারখানা খুলে দেওয়ার বিষয়ে কথা বলার আশ্বাস দিলে সোয়া এক ঘণ্টা পর বেলা ১১টায় শ্রমিকরা সড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

গাজীপুর শিল্প পুলিশ ২ এর ইন্সপেক্টর আবদুল লতিফ জানান, ওই কারখানার টেক্সটাইলস ও ডাইং সেকশনের শ্রমিকরা সকালে কারখানায় প্রবেশ করে কাজ শুরু করেন। গত ৯ নভেম্বর লিথি গ্রুপের গার্মেন্টস সেকশন অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ টানিয়ে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

আন্দোলনরত শ্রমিক বেলায়েত, আনোয়ার হোসেন ও শাপলা আক্তার বলেন, অক্টোবর মাসের বেতন না দিয়ে লিথি গ্রুপের গার্মেন্টস সেকশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। আমাদের দাবি বকেয়া বেতন, নিরীহ শ্রমিকদের নামে মামলা প্রত্যাহার এবং কারখানা খুলে দিতে হবে।

এ বিষয়ে লিথি গ্রুপের গার্মেন্টস সেকশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

   

About

Popular Links

x