গাজীপুরের শ্রীপুরে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম বুথের ভেতরে এক পোশাক শ্রমিক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ওই বুথের নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুথের নিরাপত্তাকর্মী লিটন মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে শ্রীপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীর বাবা।
এদিকে, সোমবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ভুক্তভোগীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিায়েছে পুলিশ।
জানা গেছে, ওই কিশোর একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। বেতনের টাকা তোলার সুবাদে এটিএম বুথের নিরাপত্তাকর্মীর লিটনের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। লিটন তাকে বেশি বেতনে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারে কথা বলার জন্য রবিবার সকালে ডেকে নিয়ে এটিএম বুথের ভেতরে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) শামীম আকতার মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি লিটন মিয়া ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ডুবাইল গ্রামের বাসিন্দা। সে শ্রীপুরে একটি ভাড়া বাসায় থেকে নিরাপত্তাকর্মীর চাকরি করে। ওই এলাকার একটি পোশাক কারখানার লাগোয়া একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম বুথে দায়িত্ব তার।
মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন, তার মেয়ে স্থানীয় একটি কারখানায় ৬ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করে। ওই কারখানার পাশের আরেকটি কারখানার লাগোয়া এটিএম বুথ থেকে নিয়মিত টাকা উত্তোলন করত সে। একপর্যায়ে ওই বুথের নিরাপত্তাকর্মী লিটনের সঙ্গে পরিচয় হয়। লিটন তাকে এটিএম বুথের লাগোয়া কারখানাটিতে বেশি বেতনে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, রবিবার সকাল ৬টার দিকে লিটন মিয়া ভুক্তভোগীর বাবাকে ফোন করে। এ সময় সে ১২ হাজার টাকা বেতনে চাকরির ব্যাপারে কথা বলার জন্য তার মেয়েকে এটিএম বুথে পাঠাতে বলে। এরপর মেয়েটি সেখানে গেলে লিটন তাকে এটিএম বুথের ভিতরে থাই গ্লাস দিয়ে আটকানো নিরাপত্তাকর্মীর কক্ষে নিয়ে হত্যার হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটি বাড়িতে ফিরে তার বাবাকে ঘটনা জানায়।
ওসি শামীম আকতার বলেন, “ঘটনার পর থেকে আসামি লিটন মিয়া কর্মস্থল ছেড়ে পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”



চলন্ত বাসে কলেজছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ