মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট বৈশ্বিক অস্থিরতা মোকাবিলায় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে সরকার। সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে ৯টি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রে খরচ কমানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পরিপত্র জারি করে সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের পাঠান হয়েছে।
পরিপত্রে জানানো হয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত সরকারের পরিচালন ব্যয় কমাতে নিচের নির্দেশনাগুলো বহাল থাকবে।
১. সরকারি গাড়িতে মাসিক ভিত্তিতে বরাদ্দকৃত জ্বালানির ব্যবহার ৩০% কমাতে হবে।
২. সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য সুদমুক্ত ঋণ প্রদান এবং সরকারি অর্থায়নে সকল বৈদেশিক প্রশিক্ষণ বন্ধ থাকবে।
৩. প্রশিক্ষণ ব্যয় ছাড়া অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ ব্যয় ৫০% কমাতে হবে।
৪. সভা/সেমিনারে আপ্যায়ন ব্যয় ৫০% এবং সেমিনার/কনফারেন্স ব্যয় ২০% কমাতে হবে।
৫. ভ্রমণ ব্যয় ৩০% কমাতে হবে।
৬. সরকারি খাতে গাড়ি, জলযান, আকাশযান এবং কম্পিউটার ক্রয় শতভাগ কমাতে হবে।
৭. সরকারি কার্যালয়ে জ্বালানি/বিদ্যুৎ/গ্যাস ব্যবহার ৩০% কমাতে হবে।
৮. আবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ২০% এবং অনাবাসিক ভবন শোভাবর্ধন ব্যয় ৫০% কমাতে হবে।
৯. ভূমি অধিগ্রহণ ব্যয় শতভাগ কমাতে হবে।
এর আগে, গত ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার চতুর্থ বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।



