সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়নে নতুন পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সর্বশেষ আলোচনা অনুযায়ী, দুই ধাপে নয়, বরং একবারেই নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিষয়ে সরকার ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।
অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, শুরুতে নবম পে স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা থাকলেও পরবর্তী পর্যালোচনায় সেই অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এককালীন বাস্তবায়নের বিষয়টিকেই অগ্রাধিকার দিয়ে প্রস্তুতি চলছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা -এর কারিগরি জটিলতা, দুই ধাপে বাস্তবায়নের অতিরিক্ত ব্যয় এবং সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে অসন্তোষের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে একবারেই নতুন পে স্কেল কার্যকরের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
তবে বৈঠকে কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধির হার কিছুটা সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গেছে।
যদিও এ বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম, সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মূল বেতন ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার লক্ষ্য সামনে রেখেই আলোচনা এগোচ্ছে। অন্যদিকে, বিভিন্ন ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে পুরোপুরি সমন্বয়ের প্রক্রিয়া ২০২৭-২৮ অর্থবছর পর্যন্ত সময় নিতে পারে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রস্তাবিত কাঠামোতে ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন ৯০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
তবে সরকার এখনো নবম পে স্কেল বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের আগ্রহ ও অপেক্ষা অব্যাহত রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আর্থিক সক্ষমতা, প্রশাসনিক বাস্তবতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বিবেচনায় রেখেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।



