Sunday, July 19, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

চট্টগ্রামে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্বামী গ্রেপ্তার 

অভিযুক্ত হাফেজ মো. মিজানুর রহমান আনোয়ারা উপজেলার বরৈয়া এলাকার বাসিন্দা

আপডেট : ১২ মে ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় হালিমা আক্তার মুন্নি (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তার স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। 

র‍্যাব জানিয়েছে, গত সোমবার (১১ মে) রাতে চট্টগ্রাম নগরের আধুনিক চক সুপার মার্কেটের সামনে অভিযান চালিয়ে পলাতক স্বামী হাফেজ মো. মিজানুর রহমানকে (৩২) গ্রেফতার করা হয়। 

স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে পলাতক ছিল স্বামী মিজানুর রহমান। অভিযুক্ত হাফেজ মো. মিজানুর রহমান আনোয়ারা উপজেলার বরৈয়া এলাকার বাসিন্দা। নিহত গৃহবধূ হালিমা আক্তার মুন্নি একই উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। 

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, “হালিমা আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় সোমবার তার পিতা আনোয়ারা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি মামলায় মামলা করেন।”  

এর আগে গত রবিবার (১০ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের পশ্চিম বরৈয়া গ্রামের কালু মাঝির বাড়ি থেকে হালিমা আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবারের দাবি, মুন্নিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর তার লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। 

র‍্যাব-৭ এর পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হালিমা আক্তার চট্টগ্রাম আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। গত ২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বরৈয়া গ্রামের হাফেজ মো. মিজানুর রহমানের সঙ্গে ভিকটিমের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে মিশকাতুল জান্নাত নামে দেড় বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের দাম্পত্যজীবনে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত, এ বিষয়ে একাধিকবার সামাজিক বৈঠকও হয়েছে। 

ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ, শ্বশুরবাড়ির লোকজন প্রায় সময় ভিকটিমের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতো। গত ১০ মে ভোরবেলা ভিকটিমের স্বামী মিজানুর রহমান ফোন করে ভিকটিমের পরিবারকে জানায় হালিমা আক্তার  আত্মহত্যা করেছে। খবর পেয়ে ভিকটিমের বাবার বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে ভিকটিম তাদের শয়ন কক্ষের টিনের চালের বীমের সাথে ওড়না প্যাচানো ও ভিকটিমের পা মাটির সঙ্গে লেগে আছে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায়। 

পরে, স্থানীয় থানা পুলিশ ভিকটিমের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। 

হালিমা আক্তারকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর আত্মহত্যার নাটক সাজাতে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে ভিকটিমের পরিবার অভিযোগ করে। 

   

About

Popular Links

x