যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯৬ লাখ টাকা টোল আদায় হয়েছে। ঈদ-উল-আজহাকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও যমুনা সেতু দিয়ে ঘরে ফিরছে উত্তরবঙ্গের মানুষ। এতে যমুনা সেতুতে গণপরিবহনের চাপ বাড়তে শুরু করেছে।
ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ঘরমুখো মানুষের বাড়ি ফেরার চাপ ততই বাড়ছে। প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদ উপভোগ করতে বাড়ি ফিরছেন শহরবাসী মানুষ। যমুনা সেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। একইসঙ্গে গাজীপুরের পোশাক কারখানাগুলোতে ছুটি শুরু হওয়ায় ঘরমুখী মানুষের চাপে যোগ হয়েছে বাড়তি মাত্রা।
রবিবার (২৪ মে) দুপুরে যমুনা সেতু ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশের এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগর জলফৈ ও করটিয়া বাইপাস ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এদিকে, শুক্রবার (২২ মে) দিবাগত রাত ১২টা থেকে শনিবার (২৩ মে) রাত ১২টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে। এ সময় সেতুর উপর দিয়ে ৩২,৬৪৯টি যানবাহন পারাপার হয়েছে।
এর মধ্যে উত্তরবঙ্গগামী ১৬,৭৫৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৭ হাজার ১৫০ টাকা। অপরদিকে পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে ঢাকাগামী ১৫,৮৯৬টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এর বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৫০ টাকা। সব মিলিয়ে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৬৯ হাজার ৯০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, যমুনা সেতুতে গত ২৪ ঘণ্টায় স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ যানবাহন পারাপার হয়েছে। গাড়ির চাপ থাকলেও স্বস্তির খবর হলো এখন পর্যন্ত মহাসড়কে কোনো যানজট নেই। স্বাভাবিক গতিতেই চলছে যানবাহন।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ জানায়, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত যমুনা সেতু-ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ঈদ এলেই অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে যমুনা সেতু সংযোগ মহাসড়ক দিয়ে উত্তর অঞ্চলের ২৩ জেলার যানবাহন চলাচল করায় এই অঞ্চলে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।
ঈদ যাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ রাখতে উত্তরাঞ্চলগামী ঘরমুখো যাত্রী ও কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কগুলোতে প্রায় আট শতাধিক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি যানজট নিরসন, দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং পশুবাহী ট্রাকের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।



