ঢাকার আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি প্রকল্পে চীনা এক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ২৫ টাকা দরে বিদ্যুৎ কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই প্রকল্প থেকে মোট ৪২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “নির্ধারিত দামে বিদ্যুৎ কেনা হলেও প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হতে দেড় বছরের মতো সময় লাগবে এবং ধারণা করা হচ্ছে ২০২৮ সালের শেষ দিকে এই বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হতে পারবে। এতে সরকারের কোনো প্রকার আর্থিক বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে না।”
দাম তুলনামূলক বেশি মনে হলেও প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্যমতে, এর মাধ্যমে রাজধানীর দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংকট অনেকটাই কমে আসবে। পরিবেশগত সুফল ও কার্বন ক্রেডিটের হিসাব বিবেচনায় নিলে এই খরচ পরোক্ষভাবে পুষিয়ে যাবে বলেও মনে করেন তিনি।
প্রকল্পের আওতায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি জৈব সার তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে। বিনিময়ে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে ল্যান্ডফিল ব্যবহারের জন্য ঢাকা সিটি করপোরেশনকে নির্দিষ্ট মাসিক ভাড়া পরিশোধ করতে হবে।
শুধু আমিনবাজার নয়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ল্যান্ডফিলে জমে থাকা বর্জ্য থেকেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষায়, সেখান থেকে দৈনিক ৪০-৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব, আর এ লক্ষ্যে চীনের পাওয়ার চায়না প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যোগাযোগ শুরু হয়েছে।



