Saturday, September 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

মিটার নেই, তবুও গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল

জুলাই মাসে গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম

মিটার নেই, বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। অথচ গ্রাহকের নামে এসেছে ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল। জামালপুরের মাদারগঞ্জে শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের নামে আগস্ট মাসের এই বিল দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার দাবি, বাড়ির একটি মিটার খুলে নেওয়ার পর সেখানে নতুন কোনো মিটার বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। এরপরও ওই মিটারের নামে বিল আসায় বিস্মিত তিনি।

২৫ আগস্ট উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার এমন একটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ হাতে পান। পরে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় আলোচনা শুরু হয়।

শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকারের ভাষ্য, তার বাড়িতে পাঁচটি মিটার ছিল। এর মধ্যে একটি মিটার খুলে নিয়ে বাড়ির পাশে মন্দিরের জন্য নতুন করে একটি বাণিজ্যিক মিটারের আবেদন করেন তিনি। তবে ওই বাণিজ্যিক মিটারটি আগের আবাসিক মিটারের স্থানেই স্থাপন করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, জুলাই মাসের কোনো এক সময় গাছের ডাল ভেঙে মিটারটির সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরে পল্লী বিদ্যুতের কর্মচারীরা মিটারটি খুলে নিয়ে গেলেও আগস্ট মাসে সেই মিটারের নামে ৬৯২ টাকার বিল এসেছে।

নিমাই চন্দ্র বলেন, ‘আমি তো মিটারই চালাইনি, তাহলে কীভাবে বিল এলো? মিটারটি গাছ পড়ে ভেঙে যাওয়ার পর তারা নিয়ে গেছে। এরপরও বিলে কেন টাকা আসবে? আমি কোনো বিদ্যুৎ খরচই করিনি।’

এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুতের তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান জানান, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে বিষয়টি ভুল হয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, খালি স্থানটিতে আগে একটি আবাসিক মিটার ছিল। ওই মিটারের গ্রাহক সেটি বাণিজ্যিক মিটারে পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেছিলেন। তাই আগের আবাসিক মিটারের আগস্ট মাসের বিল এসেছে।

তবে বিষয়টি নিয়ে তদন্তের জন্য একটি টিম পাঠানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি কোনো গাফিলতি বা ঘটনা সত্যি হয়, তাহলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

   

About

Popular Links

x