Thursday, September 10, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

আশুলিয়ায় স্বামী-স্ত্রী ও ভ্রূণ হত্যা: ঘটনার বর্ণনা দিল পুলিশ

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন এক যুবক

আপডেট : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম

সাভারের আশুলিয়ায় একটি ভবনের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে ভ্রূণসহ স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ওই যুবক তাদের হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন তিনি। ভুক্তভোগী দম্পতি ও আসামির মধ্যে মারামারির একপর্যায়ে লাথি মারার কারণে ওই নারীর গর্ভের সন্তান মারা যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলা কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান পিবিআইয়ের ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি ভবনের দোতলার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আলমগীর কবির (৪৫) ও তার স্ত্রী নাজমা খাতুনের (৩৯) মরদেহ এবং একটি মৃত ভ্রূণ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পরদিন নিহত নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত মঙ্গলবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয়কে (৪৪) গ্রেপ্তার করে পিবিআই। এরপর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় নিহত নাজমার পার্স, সিমসহ মুঠোফোন ও পরিচয়পত্র। গ্রেপ্তার মনিরুজ্জামান আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।

আসামির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ জানান, মনিরুজ্জামানের সঙ্গে নিহত নাজমার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নাজমার স্বামী আলমগীরের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ তৈরি হয়। ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর মনিরুজ্জামানের বাসায় গিয়ে তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়, একপর্যায়ে আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়।

এই ধস্তাধস্তির সময় অন্তঃসত্ত্বা নাজমার পেটে লাথি মারা হলে তার গর্ভের সন্তান মারা যায়। এরপর নাজমা ও আলমগীর দুজনকেই হত্যা করে পালিয়ে যান মনিরুজ্জামান। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

   

About

Popular Links

x