Tuesday, September 15, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

ভোলায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স পুকুরে, পুলিশসহ আহত ৪

অ্যাম্বুলেন্সে থাকা দুই পুলিশ সদস্যসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ পিএম

ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায় একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বোরহানউদ্দিন উপজেলার বড়মানিকা ইউনিয়নের কেরামতগঞ্জ বাজার এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা দুই পুলিশ সদস্যসহ মোট চারজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন লালমোহন থানা পুলিশের উপপরিদর্শক দেবরাজ চক্রবর্তী ও কনস্টেবল জাহিদুল ইসলাম। এ ছাড়া নিহত নারীর দুই ছেলে-মেয়েও দুর্ঘটনায় আহত হন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকালে লালমোহন উপজেলার রায়চাঁদ ইউনিয়নে ঘরে থাকা কীটনাশক পান করে মৃত্যুবরণ করেন আয়েশা বেগম (৫০) নামের এক নারী। ঘটনার পর তার ছেলে নিজেই থানা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং স্বজনদের কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হচ্ছিল।

মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সে ছিলেন উপপরিদর্শক দেবরাজ চক্রবর্তী, কনস্টেবল জাহিদুল ইসলামসহ নিহতের কয়েকজন স্বজন। ভোলা সদর উপজেলার দিকে যাওয়ার পথে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে গাড়িটি সড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়। খবর পেয়ে বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনাকবলিত অ্যাম্বুলেন্স থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। আহতদের দেওয়া হয় প্রাথমিক চিকিৎসা।

বোরহানউদ্দিন ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খোরশেদ আলম জানান, খবর পাওয়ার পরপরই তাদের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে এতে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।

রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, “চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে অ্যাম্বুলেন্সটি পাশের পুকুরে পড়ে যায়, পরে ফায়ার সার্ভিস এসে উদ্ধার করে।” প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার পর তারা মরদেহ নিয়ে আবার ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে যান। তবে সেখানে পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সেদিন মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়নি, পরদিন তা সম্পন্ন হবে বলে জানান তিনি।

   

About

Popular Links

x