ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আব্দুল্লাহপুর সীমান্তে দুইদেশের শূন্যরেখায় পড়েছিল বাংলাদেশি শিশুর মরদেহ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আব্দুল্লাহপুর সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংঙ্কামোড়া এলাকায় তার মরদেহ দেখতে পায় সীমান্তে টহলরত বিজিবি সদস্যরা। পরে বিজিবির সহায়তায় পরিবারের সদস্যরা ওই শিশুর পরিচয় নিশ্চিত করেন।
নিহত ওই শিশুর নাম মো. শাকিল, সে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের বাসিন্দা।
পরিবারের সদস্যরা জানায়, গত শুক্রবার থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলো না। পরে নিখোঁজের একদিন পর তার সন্ধান পাওয়া যায়।
ভারতের অভ্যন্তরে হওয়ায় মরদেহটি উদ্ধারের বিষয়ে বাংলাদেশের বিজিবির পক্ষ থেকে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করা হয়।
পরে বিএসএফের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিজিবিকে জানানো হয়, মরদেটি যেহেতু ভারতের অভ্যন্তরে তাই ওই কিশোরের মরদেহ ভারতের পুলিশের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত করে বাংলাদেশের পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে। হস্তান্তরের পর আখাউড়া থানা পুলিশ মরদেহ বুঝে নেবেন এবং আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবেন।
এদিকে, কীভাবে শিশুটি সীমান্তের শূন্যরেখায় গেল এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইল-২৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানান, শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা জানতে পেরেছি, সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল সে। কীভাবে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছে গেলো এবং কীভাবে মারা গেল এই বিষয়টি এখনো আমাদের কাছে অস্পষ্ট।
“তবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন ছিল না বলে আমরা নিশ্চিত হয়েছি।”
বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। রবিবার দুপুরের পর ভারত পুলিশ তার মরদেহের ময়নাতদন্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করবে।
নিহতের মরদেহ বাংলাদেশে আসার পর আখাউড়া পুলিশের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত করা হবে। পরবর্তী সময় হয়তো তার মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।



