Friday, October 02, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

‘সায়েম স্যারকেই আবার চাই’ স্লোগানে ছুটির দিনেও উত্তাল চুয়েট

উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের ১১তম দিনের কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০০ পিএম

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য পদে পুনর্বহালের দাবিতে  বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়।

উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের ১১তম দিনে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা ‘ভিসি হিসেবে কাকে চাই, সায়েম স্যারকেই আবার চাই’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ বিভিন্ন স্লোগান দেন। মিছিলটি কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে স্বাধীনতা চত্বর হয়ে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে যন্ত্রকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী যুলকারনাইন মিহাদ বলেন, “আজকে আমাদের আন্দোলনের ১১তম দিন। কর্মসূচি হিসেবে আমরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছি। আমাদের দাবি নিয়ে এখনও উর্ধ্বতন মহল থেকে কোনো সাড়া পাচ্ছি না। এর প্রতিবাদেই আজকের এই বিক্ষোভ মিছিল।”

তিনি আরও জানান, “আমাদের ক্লাস, পরীক্ষা এখন পর্যন্ত সবকিছু বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা অতি শিগগিরই প্রশাসনের কাছ থেকে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে একটা ইতিবাচক ফলাফল চাই।”

একই বর্ষের আরেক শিক্ষার্থী অরিন্দম দে বলেন, "প্রশাসনের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তার প্রতিবাদে আমরা বিক্ষোভ মিছিল করেছি। আমরা সবাই অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি। আমরা এই অনিশ্চয়তার একটা শেষ চাই। দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে প্রথম দিন থেকেই আকুল আকুতি—আপনি হস্তক্ষেপ করে এর একটা সমাধান এনে দিন। আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই।"

এর আগে, গত ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত আসে। এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে আন্দোলনে নামেন। আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।

   

About

Popular Links

x