ঢাকার সাভারে তুরাগ নদে আরও একটি মৃত ডলফিন পাওয়া গেছে। মৃত ডলফিনটির ওজন প্রায় ৫ মণ
ঢাকার সাভারে তুরাগ নদে পাওয়া এই ডলফিনটির ওজন প্রায় ৫ মণ/ ছবি- ঢাকা ট্রিবিউন
ট্রিবিউন রিপোর্ট
প্রকাশ : ০৩ জানুয়ারি ২০২২, ১০:৩০ পিএমআপডেট : ২৮ মার্চ ২০২২, ১১:৪৯ এএম
ঢাকার সাভারে তুরাগ নদে আরও একটি মৃত ডলফিন পাওয়া গেছে। মৃত ডলফিনটির ওজন প্রায় ৫ মণ। এর আগে রবিবার বিকেলে তুরাগ নদে ভেসে ওঠে প্রায় ৫ ফুট লম্বা ও ৩ মণ ওজনের একটি মৃত ডলফিন।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে তুরাগ নদের আশুলিয়া ফেলাঘাট এলাকায় মৃত শুশুকটি দেখতে পেয়ে তীরে উঠিয়ে আনেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার বলেন, “গতকাল বিকেলে তুরাগ নদের আশুলিয়া বাজার ঘাটে মাছ ধরছিলেন কিছু জেলে। এ সময় বিশাল আকারের ডলফিনটিকে মৃত ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পরে জালের মাধ্যমে ডলফিনটি তীরে তুলে আনা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “ডলফিনটির মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো। মূলত নদীর পানিতে শিল্প কারখানার নির্গত মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত থাকায় ডলফিনটি মারা গেছে। তবে এর আগে কখনও এই নদীতে ডলফিন দেখা যায়নি। তাই মৃত ডলফিনটিকে দেখতে তীরে অনেক মানুষ ভিড় করে। পরে রাত ১২টার দিকে কে বা কারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি মাইক্রোবাসে ডলফিনটি নিয়ে চলে যায়।”
তিনি আরও বলেন, “এরপর আজ দুপুরে তুরাগ নদে আশুলিয়ার ফেলাঘাট এলাকায় মৃত আরেকটি শুশুক ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে আমি জেলেদের সহায়তায় শুশুকটি তীরে উঠিয়ে আনি।”
সাভার উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সরকার বলেন, “গতকাল পাওয়া মৃত শুশুকটির ছবি দেখে বুঝেছি, এটা গ্যাংগিজ ডলফিন বা বাংলায় হলো গাঙ্গের শুশুক। এটা পদ্মা ও যমুনা নদীতে এর অভয়াশ্রম ছিলো এক সময়। মূলত এরা স্তন্যপায়ী জাতীয় প্রাণী। তবে এই অঞ্চলে গত ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এরকমের শুশুক দেখা যায়নি বা শোনা যায়নি। তবে বুড়িগঙ্গাতে ওই সময় দেখা যেত। হয়ত কোনো ভাবে বুড়িগঙ্গাতে এসেছিলো।
তিনি আরও বলেন, “গতকাল রাতে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কে বা কারা মাইক্রোবাসে শুশুকটি নিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। যেটা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একজন গবেষকের মাধ্যমে গবেষণার জন্য পাঠানোর কথা ছিলো। তবে আজকের পাওয়া শুশুকটি আমাদের নজরদারিতে আছে। আমরা ওই গবেষকের কাছে শুশুকটি পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। আমরা নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় ওখানে যেতে পারছি না। তবে জাবির ওই গবেষক ওখানে যাবেন। তার মাধ্যমেই জানার চেষ্টা করছি কেনো মৃত শুশুকটি তুরাগে ভেসে উঠছে। বিষয়টা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি আমরা।”
তুরাগে ১২ ঘণ্টা পর আবার মিললো মৃত ডলফিন
ঢাকার সাভারে তুরাগ নদে আরও একটি মৃত ডলফিন পাওয়া গেছে। মৃত ডলফিনটির ওজন প্রায় ৫ মণ
ঢাকার সাভারে তুরাগ নদে আরও একটি মৃত ডলফিন পাওয়া গেছে। মৃত ডলফিনটির ওজন প্রায় ৫ মণ। এর আগে রবিবার বিকেলে তুরাগ নদে ভেসে ওঠে প্রায় ৫ ফুট লম্বা ও ৩ মণ ওজনের একটি মৃত ডলফিন।
সোমবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে তুরাগ নদের আশুলিয়া ফেলাঘাট এলাকায় মৃত শুশুকটি দেখতে পেয়ে তীরে উঠিয়ে আনেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার বলেন, “গতকাল বিকেলে তুরাগ নদের আশুলিয়া বাজার ঘাটে মাছ ধরছিলেন কিছু জেলে। এ সময় বিশাল আকারের ডলফিনটিকে মৃত ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান তারা। পরে জালের মাধ্যমে ডলফিনটি তীরে তুলে আনা হয়।”
তিনি আরও বলেন, “ডলফিনটির মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো। মূলত নদীর পানিতে শিল্প কারখানার নির্গত মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক মিশ্রিত থাকায় ডলফিনটি মারা গেছে। তবে এর আগে কখনও এই নদীতে ডলফিন দেখা যায়নি। তাই মৃত ডলফিনটিকে দেখতে তীরে অনেক মানুষ ভিড় করে। পরে রাত ১২টার দিকে কে বা কারা সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে একটি মাইক্রোবাসে ডলফিনটি নিয়ে চলে যায়।”
তিনি আরও বলেন, “এরপর আজ দুপুরে তুরাগ নদে আশুলিয়ার ফেলাঘাট এলাকায় মৃত আরেকটি শুশুক ভাসতে দেখে স্থানীয়রা। পরে আমি জেলেদের সহায়তায় শুশুকটি তীরে উঠিয়ে আনি।”
আরও পড়ুন- তুরাগ নদে ভেসে উঠল ৫ ফুট লম্বা ‘ডলফিন’
সাভার উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সরকার বলেন, “গতকাল পাওয়া মৃত শুশুকটির ছবি দেখে বুঝেছি, এটা গ্যাংগিজ ডলফিন বা বাংলায় হলো গাঙ্গের শুশুক। এটা পদ্মা ও যমুনা নদীতে এর অভয়াশ্রম ছিলো এক সময়। মূলত এরা স্তন্যপায়ী জাতীয় প্রাণী। তবে এই অঞ্চলে গত ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এরকমের শুশুক দেখা যায়নি বা শোনা যায়নি। তবে বুড়িগঙ্গাতে ওই সময় দেখা যেত। হয়ত কোনো ভাবে বুড়িগঙ্গাতে এসেছিলো।
তিনি আরও বলেন, “গতকাল রাতে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কে বা কারা মাইক্রোবাসে শুশুকটি নিয়ে গেছে বলে জানতে পেরেছি। যেটা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের একজন গবেষকের মাধ্যমে গবেষণার জন্য পাঠানোর কথা ছিলো। তবে আজকের পাওয়া শুশুকটি আমাদের নজরদারিতে আছে। আমরা ওই গবেষকের কাছে শুশুকটি পাঠানোর ব্যবস্থা করছি। আমরা নির্বাচনী কাজে ব্যস্ত থাকায় ওখানে যেতে পারছি না। তবে জাবির ওই গবেষক ওখানে যাবেন। তার মাধ্যমেই জানার চেষ্টা করছি কেনো মৃত শুশুকটি তুরাগে ভেসে উঠছে। বিষয়টা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছি আমরা।”
বিষয়: