Tuesday, May 21, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রংপুর চিড়িয়াখানায় বাঘ দম্পতি রোমিও-জুলিয়েট

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সরকারি চিড়িয়াখানায় আগে একটিমাত্র বাঘিনী ছিল। সঙ্গীহীন অবস্থায় চার বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যায়

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:১৭ পিএম

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি চিড়িয়াখানা রংপুর বিনোদন উদ্যান ও চিড়িয়াখানায় পাঁচ বছর পর আনা হলো বাঘ। রংপুর চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর আম্বার আলী তালুকদার বিষয়টি ঢাকা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশেষ ব্যবস্থায় রয়েল বেঙ্গল টাইগার দম্পতি রোমিও-জুলিয়েটকে নিয়ে আসা হয়।

বিকেল পৌনে ৪টার দিকে বাঘশূন্য রংপুর চিড়িয়াখানায় লাল কাপড়ে মোড়ানো লোহার দুটি খাঁচা এসে পৌঁছায়। বিষয়টি আগেভাগে জানাজানি হলে উৎসুক জনতা চিড়িয়াখানা চত্বরে ভিড় জমায়। বাঘ দম্পতিকে আনার পরপরই ঢাক ঢোল পিটিয়ে বরণ করে নেয় চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। এরপর রোমিও-জুলিয়েট দম্পতির শুভাগমন এবং দ্বিতীয় জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খাঁচার সামনে কেক কাটা হয়। এরপর তাদের নির্ধারিত খাঁচায় রাখা হয়।

এ ব্যাপারে চিড়িয়াখানার এক কর্মকর্তা জানান, দুই বছর আগে চট্টগ্রামে বাঘ দুটির জন্ম হয়।

লাল কাপড়ে মোড়ানো লোহার দুটি খাঁচায় করে আনায় হয় রয়েল বেঙ্গল টাইগার দম্পতিকে/ঢাকা ট্রিবিউন

এ বিষয়ে রংপুর চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর আম্বার আলী তালুকদার ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, “ঢাকার মিরপুরের সরকারি চিড়িয়াখানার পর রংপুর চিড়িয়াখানাটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি চিড়িয়াখানা। এর আগে এখানে একটিমাত্র বাঘিনী ছিল। সঙ্গীহীন অবস্থায় চার বছর আগে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। এরপর অনেক দিন বাঘহীন অবস্থায় ছিল রংপুর সরকারি চিড়িয়াখানা। আগে যে বাঘের খাঁচা ছিল সেটি অত্যন্ত ছোট। পরে এর সংস্কার করা হয়। অবাধে বিচরণ করার সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

তিনি আরও বলেন, “বাঘ দুটির জন্য মাংস সরবরাহসহ অন্যান্য সব ব্যবস্থা করা হয়েছে। আমাদের দিক থেকে বাঘের পরিচর্যায় কোনো ঘাটতি থাকবে না।”

প্রসঙ্গত, রংপুর নগরীর হনুমানতলা এলাকায় ১৯৮৯ সালে রংপুর চিড়িয়াখানাটি গড়ে ওঠে। এটি দর্শনার্থীদের জন্য ১৯৯২ সালে খুলে দেওয়া হয়। প্রায় ২২ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই চিড়িয়াখানাটিতে ৩৩ প্রজাতির ২৬০টি প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে সিংহ, বাঘ, জলহস্তী, হরিণ, অজগর সাপ, ইমু পাখি, উটপাখি, বানর, কেশওয়ারি, গাধা, ঘোড়া, ভাল্লুকসহ অন্যান্য প্রাণী রয়েছে। প্রতিদিন রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে শত শত মানুষ রংপুর চিড়িয়াখানায় আসে। বাঘ না থাকায় দর্শনার্থী কমে যাচ্ছিল।

About

Popular Links