Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

পরিকল্পনামন্ত্রী: দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশের প্রধান সমস্যা হলো মুদ্রাস্ফীতি। মুদ্রাস্ফীতির কারণে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। দেশের নিম্নআয়ের মানুষ কষ্টে আছেন

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:২৫ পিএম

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, “দেশের অর্থনীতি চাপের মধ্যে আছে, এটা সরকারপ্রধানও বিশ্বাস করেন আমিও করি। এই মুহূর্তে দেশের প্রধান সমস্যা হলো মুদ্রাস্ফীতি। মুদ্রাস্ফীতির কারণে জিনিসপত্রের দাম বেড়েছে। দেশের নিম্নআয়ের মানুষ কষ্টে আছেন।”

শনিবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে সুনামগঞ্জে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “তাদের (নিম্নআয়ের মানুষ) জন্য একটু স্বস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য কাজ করছে সরকার। মুদ্রাস্ফীতি কিছুটা কমেছে কিন্তু বাড়েনি। এটা আরও কমাতে হবে। এটি সমস্যা, সংকট নয়।”

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “বিএনপি প্রাচীনকালের গণকের মতো কথা বলে। চলমান আন্দোলনের মাধ্যমে কোনো দিন ক্ষমতায় আসতে পারবে না। বিএনপির নেতারা জ্যোতিষের মতো ভবিষ্যদ্বাণী দেয়। তা কখনো পূরণ হবে না। এসব কথা অবাস্তব ও পরাবাস্তব। তারা আবহওয়াবিদের মতো কথা বলে।”

রিজার্ভ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “দেশে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর মতো ডলার মজুত আছে। ডলারের দাম কমে বাড়ে। একসময় স্থিতিশীল হবে।”

প্রসঙ্গত, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম ৬-এর সংজ্ঞা অনুসারে বাংলাদেশের নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ এখন ১৮ বিলিয়ন ডলারের নিচে। অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহ ও রপ্তানি আয়ও আগের তুলনায় কমছে বলে সংবাদমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “করোনাকালীন আমদানি ও রপ্তানি, যাতায়াত ও যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভ বেড়ে গিয়েছিল। তবে করোনার পর অর্থনৈতিক সব কর্মকাণ্ড শুরু হওয়ার পর আমদানি বেড়ে যাওয়ার কারণে স্বাভাবিকভাবেই রিজার্ভ আবার কমে গেছে। আমাকে বেশি কথা বললে সব বন্ধ করে দিয়ে বসে থাকবো। ইলেকশনের পরে যদি আসতে পারি আবার করবো।”

অন্যদিকে দেশে গত কয়েক মাস ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি দেশের নির্দিষ্ট আয়ের মানুষদের ভোগান্তিতে ফেলেছে।

এ বছরের সেপ্টেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১২.৩৭%; এটি গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় তিন শতাংশীয় পয়েন্ট বেশি। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৭.৮২%।

বিশ্বব্যাংকের মতে, মূল্যস্ফীতি ভোক্তাদের ক্রয় ক্ষমতা কমিয়েছে। ক্রেতারা ব্যক্তিগত খরচ আনুমানিক ৭.৫% থেকে ৩.৫% এ কমাতে বাধ্য হচ্ছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির ফলে যাদের সুযোগ আছে তারা অতিরিক্ত খরচ মেটাতে অতিরিক্ত কাজ করছেন। কিন্তু যাদের কাজ করার সুযোগ নেই, তারা খাদ্য ও অন্যান্য জিনিসের ব্যবহার কমিয়ে দিচ্ছেন।

   

About

Popular Links

x