দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুসম্পন্ন হয়েছে দাবি করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, ''এখনো পত্রপত্রিকায় সমালোচনা হচ্ছে। তবে আমরা সোশ্যাল মিডিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। কারণ, সেখানে অবারিতভাবে বদনাম করা হচ্ছে। মূল ধারার গণমাধ্যমে ভারসাম্যপূর্ণ আলোচনা থাকে। নির্বাচন অনেকটা গ্রহণযোগ্যভাবে সুসম্পন্ন হয়েছে। সেটা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে স্বীকৃত হয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও জাতি স্বস্তিবোধ করেছে।'
বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) ‘‘দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন’’ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে এই ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ইসি সচিবালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন। ৭ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সিইসির মতে, "জাতি চলমান একটি সংকট থেকে উঠে এসেছে, যা নিয়ে দেশবাসী উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় ছিল। তবে এটি স্থায়ী সমাধান না। নির্বাচন নিয়ে যদি প্রতি পাঁচ বছর পর সংকট সৃষ্টি হয়, তাহলে দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। সে জন্য নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বের একটি পদ্ধতি অন্বেষণ করা প্রয়োজন।"
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, "নির্বাচন তুলনামূলকভাবে ভালো হয়েছে। সংবাদপত্র পড়ে তিনি মূলত জেনে থাকেন। অনেকে সুনাম করেছে, অনেকে অপবাদ দিয়েছে। দুটোই বিবেচনায় নিতে হবে।"
সিইসি হাবিবুল আউয়াল বলেন, "নির্বাচন খুব যে অংশগ্রহণমূলক হয়েছে তা নয়। নির্বাচন মোটাদাগে সার্বিক রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে গ্রহণযোগ্য না হলে একটা রাজনৈতিক সংকট থেকে যায়। একটা অংশ শুধু নির্বাচন বর্জন করেনি, প্রতিরোধ করারও ঘোষণা দেয়। সেদিন থেকে সংকট শুরু। নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। তবে সবার সমন্বিত প্রয়াসে নির্বাচন উঠিয়ে আনা হয়েছে। সাময়িকভাবে হলেও জাতি স্বস্তিবোধ করেছে। নির্বাচন কমিশনও স্বস্তিবোধ করেছে।"



