Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের সেনা ও বিজিপি সদস্যের সংখ্যা বেড়ে ২২৯

তাদের অস্ত্র ও গুলি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) কাছে জমা রাখা হয়েছে

আপডেট : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৪৫ পিএম

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নিয়েছে দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও সেনাবাহিনীর আরও ১১৪ সদস্য। এ নিয়ে গত রবিবার দেশটির মোট ২২৯ জন সামরিক সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন, যাদের বেশির ভাগ বিজিপি সদস্য। তাদের অস্ত্র ও গুলি বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) কাছে জমা রাখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপরে বি‌জি‌বির জনসং‌যোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, তুমব্রু সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে ভয়াবহ গোলাগুলির কারণে র‌বিবার সকালে ১৪, দুপুরে ৬ ও বিকেলে ৩৮ জন এবং সোমবার সকালে ৩৭, দুপু‌রে ১১ ও রা‌তে আরও ৭ জন, মঙ্গলবার সকালে ২ এবং দুপুরে ১১৪ জন আশ্রয় নেয়। তারা সবাই নাইক্ষ‌্যংছ‌ড়ির ঘুমধুম ও কক্সবাজা‌রের উখিয়া বিজিবির তত্ত্বাবধানে রয়েছেন।

গত কয়েক দিন ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনী ও দুই বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে তুমুল লড়াই চলছে। পাশাপাশি কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার আনজুমানপাড়া, ধামনখালী ও রহমতবিল সীমান্তের ওপারে ঢেঁকিবুনিয়া ও উংচি বান এলাকায় থেমে থেমে গোলাগুলি, মর্টার শেল ও বোমাবর্ষণের ঘটনা ঘটছে।

এতে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্রু সীমান্ত পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে একাধিকবার গুলি, মর্টরশেল এসে পড়েছে।

মিয়ানমারের হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া মর্টার শেল ঘুমধুম সীমান্তের জলপাইতলীর একটি বাড়িতে বিস্ফোরিত হয়ে সোমবার এক বাংলাদেশি নারী ও রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে।

   

About

Popular Links

x