Thursday, May 23, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

স্বাস্থ্যমন্ত্রী: গাজীপুরে দগ্ধ ৩২ জনের কেউই শঙ্কামুক্ত নন

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৯০% দগ্ধ রোগী আছেন ১০ জনের বেশি। তার মধ্যে শিশুরাও আছে। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা’

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার তেলিরচালা এলাকায় সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩২ জনের কেউই শঙ্কামুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। তিনি বলেছেন, “এ ঘটনায় দগ্ধ হয়ে এখন পর্যন্ত ৩২ জন রোগী আমাদের এখানে এসেছেন। তাদের মধ্যে ১৬ জনের ৫০%-এর বেশি বার্ন আছে।”

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দগ্ধদের দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা একটি মেডিকেল বোর্ড বসিয়েছিলাম। সেই বোর্ডে আমি ছিলাম। ৯০% দগ্ধ রোগী আছেন ১০ জনের বেশি। তার মধ্যে শিশুরাও আছে। খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। রোগীগুলো এতো বাজে অবস্থা সবারই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ বিষয়ে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাকে ফোন করেছিলেন। সর্বাত্মক চেষ্টা করার জন্য বলেছেন। আমরা চেষ্টা করব। বাকিটা এ মুহূর্তে বলা মুশকিল। তবে এদের কেউই আশঙ্কামুক্ত নন। এদের মধ্যে ছয়জন ইতোমধ্যে আইসিইউতে আছেন।”

তিনি বলেন, “বাচ্চাদের ১০% হলেই মেঝর হয়ে যায়। সেখানে এদের অনেকেরই ৩০%-এর মতো। ১০ বছরে নিচে সাতজন শিশু ও ১১ থেকে ১৮ মধ্যে ছয়জন। মোট ১৩ জন শিশু রয়েছে।”

এর আগে সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের সভাপতিত্বে সভায় অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে  উপস্থিত ছিলেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ নওয়াজেস খান, অধ্যাপক (রেডিওলোজি) ডা. খলিলুর রহমান, অধ্যাপক (এনেস্থিসিওলজি) ডা. আতিকুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক (বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি) ডা. হাসিব রহমান, সহযোগী অধ্যাপক (বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি) ডা. হোসাইন ইমামসহ (ইমু) অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও চিকিৎসকরা।

বার্ন ইনিস্টিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হোসাইন ইমাম (ইমু) জানান, দগ্ধদের মধ্যে পাঁচজন আইসিইউতে, দুইজন এইচডিইউতে, ও বাকি ২৫ জন পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আইসিইউতে থাকা পাঁচজনের মধ্যে মো. আরিফের (৪০) ৭০%, মো. নাঈম (১৩) ৪০%, মো. মুহিদুল (২৮) ৯৫%, রাব্বি (১২) ৯০% এবং সোলাইমানের (৬) ৮০% দগ্ধ হয়েছে। এছাড়াও এইচডিইউতে রয়েছেন দুইজন। তারা হচ্ছেন- তৈয়বা (৫) ৯০%, তৌহিদ (৭) ৮০%।”

পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে রয়েছেন ২৫ জন। তারা হচ্ছেন- নিরব (৭) ৩২%, রাহিমা (৩) ১০%, নিলয় (৩) ৮%, সুফিয়া (৮) ৮%, কবির (৩০) ৪৫%, জহিরুল ইসলাম (৪০) ৫৮%, আজিজুল (২৮) ৩%, সুমন (২৫) ২৫%, মোতালেফ (৪০) ৯৫%, মুনসুর (৪৫) ১০০%, লালন (২২) ৪০%, শিল্পী (৪০) ২৫%, রামিছা (৩৬) ৩%, কমলা খাতুন (৬৫) ৮০%, মান্নাফ (১৮) ৪০%, সোলাইমান (৪৫) ৯৫%, ইয়াসিন আরাফাত (২১) ৮৫%, কুদ্দুস খান (৪৫) ৮০%, সাদিয়া (১৮) ৫%, শারমিন (১২) ৩%, রত্না বেগম (৪০) ১০%, মশিউর (২২) ৫২%, নার্গিস (২৫) ৯০%, তারেক (১৭) ২০% ও নাদিম (২২) ৮৫% দগ্ধ হয়েছেন।

About

Popular Links