Saturday, June 22, 2024

সেকশন

English
Dhaka Tribune

রংপুর মেডিকেলে রোগী হয়রানি-ওষুধ চুরির সত্যতা পেয়েছে দুদক

  • টয়লেট এক মাসেও পরিষ্কার করা হয় না
  • ডায়ালাইসিস ওয়ার্ডে ৩০টি মেশিনের ১২টি দীর্ঘদিন ধরে বিকল
আপডেট : ২০ মে ২০২৪, ০৫:২৩ পিএম

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগী হয়রানিসহ নানান অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (২০ মে) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত দুদকের একটি এনফোর্সমেন্ট টিম হাসপাতালে আকস্মিক অভিযান চালায়। এতে নেতৃত্ব দেন দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক শাওন মিয়া।

অভিযানে এক দালালকে হাতেনাতে আটক করে দুদক। হাসপাতাল থেকে সে এক রোগীকে বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে যাচ্ছিল।

এছাড়াও হাসপাতালে বর্জ্য ব্যবস্থা, ব্যবহার অনুপযোগী টয়লেট, চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, ওষুধ চুরি, ডায়ালাইসিস বিভাগে রোগীদের ওষুধ বিতরণে চরম অনিয়মের প্রমাণ মেলে দুদকের অভিযানে।

অভিযানে দুদক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আখতারুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে সার্জিক্যাল, গাইনি, নারী, প্যাথলজিক্যাল, ডায়ালাইসিস, রক্ত সঞ্চালন বিভাগ পরিদর্শন করে।

ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে অব্যবস্থাপনা

নারী মেডিসিন ওয়ার্ডে গেলে রোগীরা অভিযোগ করেন, সেখানকার টয়লেট এক মাসেও পরিষ্কার করা হয় না। প্রতিটি টয়লেটই ময়লা দিয়ে ভরা, কয়েকটি তালাবদ্ধ।

প্যাথলজিকাল ল্যাবরেটরিতে কর্তব্যরতরা জানান, সেখানকার অটোমেটিক মেশিনগুলো সব বিকল। বাধ্য হয়ে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে বিভিন্ন পরীক্ষা করতে হয়। 

একই অবস্থা কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ডে। সেখানে ৩০টি মেশিনের ১২টি দীর্ঘদিন ধরে বিকল। চালু ১৮টির মধ্যে ৪-৫ টি কখনো সচল, কখনো বিকল। সুই থেকে শুরু করে ওষুধ সবই বাইরে থেকে কিনে আনতে হয় বলে অভিযোগ রোগীদের। 

এদিন রক্ত সঞ্চালন বিভাগে এক রোগীর স্বজন রক্ত দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই রক্তের ব্যাগ হাওয়া হয়ে যায়। এ ঘটনা হতবাক করে দুদকের দলকে। 

এ ব্যাপারে দুদক উপ পরিচালক শাওন মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, “রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নানান অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতির বিষয় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

এসব অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক ডা. ইউনুছ আলী বলেন, “অনেক সীমাবদ্ধতা আছে।” তবে হাসপাতাল ভালোই চলছে বলে দাবি তার।

About

Popular Links