Thursday, June 04, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

লুটপাটের পর আগুন দেওয়া হয় গাজী টায়ার কারখানায়, দাবি কর্তৃপক্ষের

রবিবার রাত ১০টার দিকে অগ্নিসংযোগ করা হয়, আজ দুপুর ১টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০২৪, ০২:৩১ পিএম

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসীতে গাজী গ্রুপের টায়ার তৈরির কারখানায় লুটপাটের পর অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার রাত ১০টার দিকে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটলেও সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার (২৬ আগস্ট) ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেজাউল করিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট কাজ করছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুরোপুরি নেভানোর চেষ্টা চলছে। মূলত কারখানাটিতে প্রচুর টায়ার, টায়ার তৈরির কাঁচামাল ও প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য থাকায় আগুন পুরোপুরি নেভাতে সময় লাগছে।”

যেভাবে আগুনের সূত্রপাত

গাজী গ্রুপের মালিক গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ও নারায়ণগঞ্জ-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। রবিবার ভোররাতে ঢাকার শান্তিনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন তিনি।

গাজী গ্রুপের টায়ার তৈরির কারখানায় কর্মরত শফিকুল ইসলাম ঢাকা ট্রিবিউনকে জানান, তাকে গ্রেপ্তারের পরপরই রূপগঞ্জে বিভিন্ন এলাকা থেকে আনন্দ মিছিল বের হয়। এক পর্যায়ে ২০০ থেকে ২৫০ জনের একটি দল কারখানার ভেতরে ঢুকে শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দিয়ে গেইট আটকে দেয়। এরপরই লুটপাট শুরু করে। যে যার মত জিনিসপত্র নিয়ে যাচ্ছিল।

তিনি আরও বলেন, “টায়ার তৈরির জন্য বিভিন্ন কেমিক্যাল, কাঁচামালসহ প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কোটি টাকার মালামাল ছিল ভবনটিতে। লুটপাট শেষে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় লুটপাটকারী কয়েকজন আটকা পড়ে ভবনে ভেতরে। পরে তাদের উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।”

শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “এবারই প্রথম না, শেখ হাসিনা পদত্যাগ করারা পর ৫ আগস্টও লুটপাট শেষে আগুন ধরিয়ে দিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। তখন কারখানাটির ৫ থেকে ৬টা শেড পুরোপুরি পুড়ে যায়। এখন আমরা ভবনটির ভেতরে কাজ করছিলাম। সেটাও পুড়িয়ে দিয়েছে। মূলত স্যারের (গোলাম দস্তগীর গাজী) প্রতিপক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তাদের উদ্দেশ্য মূলত এ জমি দখল করা।”

   

About

Popular Links

x