Friday, June 05, 2026

সেকশন

English
Dhaka Tribune

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আশার কথা শোনাল পেট্রোবাংলা

গ্যাস সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন ঢাকার বাসিন্দারা

আপডেট : ০৪ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:১৭ পিএম

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল থেকে তিন দিন এলএনজি সরবরাহ বন্ধ থাকায় দেশের কিছু কিছু এলাকায় গ্যাসের সংকট চলছে।

এ অবস্থায় দেশে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের পরিচালক (অপারেশন এন্ড মাইনস) প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ইউএনবিকে তিনি বলেন, “আজ সন্ধ্যার মধ্যেই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি উন্নতি হবে বলে প্রত্যাশা করছি। বন্ধ থাকা একটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে সকাল ৭টা থেকেই গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।”

এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য যে এলএনজি টার্মিনালটি গেল ৭২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছে, সেটা থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে বলেও জানিয়েছেন প্রকৌশলী রফিকুল।

তিনি বলেন, “দেশের দুটো এলএনজি টার্মিনাল থেকে ১,১০০ এমএমসিএফডি সক্ষমতার বিপরীতে ৭৮০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহ করা যাবে। এর অর্থ হচ্ছে, সরবরাহের ক্ষেত্রে ৩২০ এমএমসিএফডি গ্যাসের ঘাটতি আছে এখনো।” তবে শিগগিরই গ্যাস সংকটের পুরোপুরি সুরাহা হচ্ছে না বলেও জানিয়েছেন পেট্রোবাংলার এই কর্মকর্তা।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই কোম্পানির এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “জানুয়ারিতে দুটো এলএনজি টার্মিনালের জন্য অন্তত ১০টি কার্গো দরকার। কিন্তু সরবরাহের জন্য এ পর্যন্ত সাতটি কার্গো নিশ্চিত করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দারা ভয়াবহ গ্যাস সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এর মধ্যেই বুধবার থেকে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত একটি এলএনজি টার্মিনাল মেরামতের কাজের জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে শুরু করে।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, একটি ভাসমান এলএনজি স্টেশনের (এফএসআরইউ) কার্যক্রম বন্ধ থাকায় ১ থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ৭২ ঘণ্টা গ্যাসের চাপ কম থাকবে।

দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনের পাশাপাশি কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান দুটি টার্মিনালের মাধ্যমে এলএনজি সরবরাহ করা হয়। চাহিদার তুলনায় সরবরাহে ঘাটতি থাকায় নিয়মিত গ্যাস–সংকটে ভুগছে বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও আবাসিক খাতের গ্রাহকেরা।

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। গত সোম থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত পেট্রোবাংলার দৈনিক গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ প্রতিবেদন বলছে, দিনে গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে ২৭৬ কোটি ঘনফুট।

   

About

Popular Links

x