রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদ্যাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১১টায় একটি শোভাযাত্রা রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-১ থেকে শুরু হয়ে শাহজাদপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন ৩-এ গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রা শেষে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এস. এম. হাসান তালুকদার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান।
বক্তব্যে তিনি বলেন, “পহেলা বৈশাখ বাঙালির শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ সংস্কৃতির কথা মনে করিয়ে দেয়। হাজার বছর ধরে চর্চিত বাঙালির উদার ও মানবিক সংস্কৃতি আমাদের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠায় উদ্বুদ্ধ করে আসছে। আমাদের সংস্কৃতিই আমাদের শক্তি “
তিনি আরও বলেন, “ফিলিস্তিনসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সাম্রাজ্যবাদী শক্তি নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ব্যাপক গণহত্যায় মেতে আছে। নতুন বাংলাদেশ থেকে আমরা পৃথিবীর সকল গণহত্যাকারীকে ঘৃণা জানাই।”
তিনি বিশ্ব শান্তি কামনা করে আরও বলেন, “নতুন বছর বয়ে আনুক একটি নিরাপদ ও মানবিক পৃথিবীর বার্তা।”
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সুমন কান্তি বড়–য়া, ট্রেজারার প্রফেসর ড. ফিরোজ আহমদ, প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) নজরুল ইসলাম, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
এছাড়াও পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩ এ বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এদিন বিকেল ৪টায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও কুষ্টিয়া হতে আমন্ত্রিত বাউল শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ফিলিস্তিনে গণহত্যার উপরে নির্মিত নাটিকা ‘‘লড়াই’’ এর আয়োজন করা হয়।



