ঢাকার কেরানীগঞ্জে সড়কের পাশ থেকে জুনায়েদ হোসেন (১৬) নামের এক কিশোরের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৪ মে) সকালে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে।
জুনায়েদ কেরানীগঞ্জের বোয়ালি এলাকার একটি কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতো।
জুনায়েদের বড় ভাই তুহিন হোসেন সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, “শনিবার সকালে জুনায়েদ কাজের জন্য বাসা থেকে বের হয়। কিন্তু রাতে ফিরে না আসায় তারা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। রবিবার সকালে লোকজনের কাছে জানতে পারেন বাস্তা ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তার ভাইয়ের মরদেহ পড়ে আছে।”
তিনি আরও বলেন, “গত ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে রাজাবাড়ি গার্ডেন পার্কে ঘুরতে আসা এক নারীকে রোহিতপুর ইউনিয়নের ধর্মসুর এলাকার কয়েকজন বখাটে কিশোর উত্ত্যক্ত করছিল। এ ঘটনায় জুনায়েদ ও তার বন্ধুরা প্রতিবাদ জানালে একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয় এবং তা হাতাহাতি পর্যায়েও যায়। পরে ওই কিশোররা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে তাদের এলাকায় মহড়া দেয়। আমার ধারণা, আগের সেই ঘটনার জেরে পরিকল্পিতভাবে জুনায়েদকে হত্যা করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোকে বলেন, “এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে। শিগগিরই দোষীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।”



