জনপরিসরে নারীকে মাইকে “প্রকাশ অযোগ্য ভাষায়” মন্তব্য করার কারণে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছেন এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) ৩ নারী নেত্রী ও ৩ সাংস্কৃতিক নারী ব্যক্তিত্ব।
সোমবার (৫ মে) দুপুরে অ্যাডভোকেট পলাশের মাধ্যমে এই নোটিশ পাঠানো হয়। এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন এনসিপির নেত্রী সৈয়দা নীলিমা দোলা ও দ্যুতি অরণ্য চৌধরী।
এনসিপির তিন নারী নেত্রীর মধ্যে রয়েছেন- সৈয়দা নীলিমা দোলা, দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী এবং নীলা আফরোজ।
সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা হলেন- উম্মে রায়হানা, উম্মে ফারহানা ও ক্যামেলিয়া শারমিন চূড়া।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নারীদের প্রতি এই ধরণের নিপীড়নের সুযোগ নতুন বাংলাদেশে নেই। বিশেষ করে জুলাই অভ্যুত্থানের পর সেই সুযোগ একেবারেই থাকছে না। জুলাই অভ্যুত্থানে নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজেই নতুন বাংলাদেশ সবার হবে এই আশাবাদও তারা ব্যক্ত করেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সরকারের প্রস্তাবনায় যারা নারী সংস্কার কমিশন গঠনে যুক্ত ছিলেন এবং কাজ করেছেন তাদেরকে এই ধরণের অপমান বাংলাদেশের নারীদের জন্য ভয়ংকর। নারীর স্বাধীনতা এবং জীবনমান উন্নয়নে যে প্রস্তাবনা বানানো হয়েছে সেটি নিয়ে দ্বিমত পোষণের সুযোগ থাকছে কিন্তু “প্রকাশ অযোগ্য ভাষায়” মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নেই।
বিবৃতিতে তারা হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংশ্লিষ্টতার কথাও তুলে ধরেছেন। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলামকে আওয়ামীসংশ্লিষ্ট সংগঠন উল্লেখ করে এই সংগঠন কীভাবে জনসম্মুখে সমাবেশ করে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় এতে।
বিবৃতিতে তারা আরও প্রশ্ন তোলেন, ইসলামী যে আইন দেশে আছে সে অনুযায়ী কী হেফাজতের নেতারা তাদের পরিবারের নারীদের সম্পত্তি দিয়েছেন?
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, নারী সংস্কার কমিশনকে সামনে রেখে, নারীকে পাবলিক স্পেসে “প্রকাশে অযোগ্য ভাষায়” মন্তব্য করার অধিকার কারও নেই, এই মর্মে অ্যাডভোকেট পলাশের মাধ্যমে আজ সোমবার (৫ মে) দুপুরে এই মামলা দাখিল করা হয়।



মহাসমাবেশ থেকে নতুন দুটি কর্মসূচি দিল হেফাজতে ইসলাম